স্কটল্যান্ড সফরে এডিনবার্গে কাল স্বাগতিকদের বিপক্ষে একমাত্র ওয়ানডেতে ৭ উইকেটে জিতেছে নিউজিল্যান্ড। আগে ব্যাট করে ৪৯.৪ ওভারে ৩০৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ৩০৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চাপম্যানের অপরাজিত ১০১ রানে ভর করে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় কিউইরা।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১০১ রানের ইনিংসে দলকে শুধু ম্যাচ জেতাননি চাপম্যান বরং নিজেও গড়েছেন নতুন এক কীর্তি। দুইটি আলাদা দেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেন চাপম্যান। যা এর আগে করতে পেরেছেন মাত্র দুই জন, ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মরগান ও আরেক ইংলিশ ক্রিকেটার জয়েস।

২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের জার্সিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় জয়েসের। ২০০৭ সালে সিডনিতে অষ্টেলিয়ার বিপক্ষে করেন নিজের প্রথম সেঞ্চুরি। এরপর বাকি চার বছর কোনো ওয়ানডে ম্যাচ খেলা হয়নি জয়েসের। ২০১১ সালে আইসিসির বিশেষ অনুমতি নিয়ে আয়ারল্যান্ডের জার্সিতে গায়ে জড়ান, ২০১৩ সালে জন্মভূমি ডাবলিনে পাকিস্তানের বিপক্ষে তুলে নেন আয়ারল্যান্ডের হয়ে নিজের প্রথম শতক।

ছবিতেঃ ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড তারকা  জয়েস

অন্যদিকে ২০০৬ সালে আইরিশদের হয়ে অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মরগানের। অভিষেক ম্যাচে ৯৯ রান করে রান আউটের শিকার হোন তিনি। তবে সেঞ্চুরির জন্য খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি তাকে। ৪ ফ্রেবুয়ারী, ২০০৭ সালে কানাডার বিপক্ষে তুলে নেন আইরিশদের জার্সিতে প্রথম শতক। এরপর ২০০৯ সালে ইংলিশদের জার্সিতে অভিষেক হয় মরগানের। পরের বছর বাংলাদেশ সফরে এসে মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডে’তে তুলে নেন ইংল্যান্ডের জার্সিতে নিজের প্রথম শতক।

ছবিতেঃ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মরগান

ওয়ানডেতে দুটি দেশের হয়ে শতক পাওয়া প্রথম ব্যাটসম্যান মরগান। এড জয়েস দ্বিতীয়। আর এই তালিকায় কাল তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখালেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার মার্ক চাপম্যান।

মার্ক সিনক্লেয়ার চাপম্যানের জন্ম হংকংয়ে। ২০১৫ সালে আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ চ্যাম্পিয়নশিপে হংকংয়ের হয়ে অভিষেক চাপম্যানের। দায়িত্ব পান হংকংয়ের সহ-অধিনায়কের। অভিষেক ম্যাচেই অপরাজিত ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। যা ছিলো হংকংয়ের হয়ে কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম সেঞ্চুরি।

২০১৮ সালে অষ্টেলিয়া-ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি ফরমেটে অনুষ্ঠিত হওয়া তিন জাতির টুর্ণামেন্টে কিউইদের জার্সিতে অভিষেক হয় চাপম্যানের। একই বছর নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের ইনজুরিতে ওয়ানডে অভিষেক হয় চাপম্যানের।

ছবিতেঃ কিউই ব্যাটসম্যান চাপম্যান

টি–টোয়েন্টিতেও আলাদা দুটি দেশের হয়ে অন্তত ৫০ রানের ইনিংস আছে চাপম্যানের। ২০১৫ সালে হংকংয়ের হয়ে ওমানের বিপক্ষে খেলেন অপরাজিত ৬৩ রানের ইনিংস। ২০২১ সালে ভারতের বিপক্ষেও খেলেন ৬৩ রানের ইনিংস।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন