ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ বরাবরই সেরা৷ আর প্রতিপক্ষ যদি জিম্বাবুয়ে হয় তাহলে তো আর কথায় নেই। টানা ১৯ ম্যাচে জয় দলটির বিপক্ষে। ব্যাটসম্যানরা শুরুটাও করলো সেভাবে। প্রথম পাঁচ জনের মধ্যে চারজনই করলেন পঞ্চাশোর্ধ রান। নির্ধারিত ওভার শেষ স্বাগতিকদের ছুড়ে দিলো পাহাড় সমান লক্ষ্য। বোলিংয়ে শুরুতেই কাঁপিয়ে দিলো জিম্বাবুয়ে ব্যাটসম্যানদের। ৬২ রানে ৩ উইকেট নেই দলটির। বাংলাদেশ যখন ২০তম জয়ের অপেক্ষার প্রহর গুনতে লাগলে ঠিক তখন থেকে ম্যাচটিতে নিজেদের জয়ের পাল্লা ভারি করতে শুরু করেন দুই জিম্বাবুয়ে ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজা ও কাইয়া। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে যোগ করেন ১৯২ রান।

শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য প্রহর গুনতে থাকা সমর্থকদের অপেক্ষায় রেখে সেঞ্চুরি করে পাহাড় সমান লক্ষ্য ডিঙিয়ে জিম্বাবুয়েকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন সিকান্দার রাজা। দুই চোখে আঙ্গুল দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে দেখিয়ে দেয় এভাবেও ম্যাচ জেতা যায়।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের ৬২, লিটন কুমার দাসের ৮১ এনামুল হক বিজয়ের ৭৩ ও মুশফিকের ৫২ রানের ইনিংসে ভর করে স্বাগতিকদের ৩০৪ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

বোলিংয়ে ও শুরুটা হয় দূর্দান্ত ভাবে, ৬ রানে তুলে নেয় ২ উইকেট। ৬২ রানে তিন। তবে চতুর্থ উইকেটে সিকান্দার রাজা ও কাইয়ার ১৯২ রানের অপ্রতিরোধ্য জুটিতে জয় হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। ব্যাট হাতে ১১০ রান করে কাইয়া মোসাদ্দেকের বলে ফিরলেও আরেক অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান ১৩৫ রানে অপরাজিত থেকে ১০ বল হাতে রেখে দলকে ৫ উইকেটে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।

১৩৫ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতে ৪৮ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা সিকান্দার রাজা।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩০৩/২ (তামিম ৬২, লিটন আহত অবসর ৮১, এনামুল ৭৩, মুশফিক ৫২*, মাহমুদউল্লাহ ২০*; এনগারাভা ১০-১-৬১-০, নিয়াউচি ১০-১-৭০-১, মাসাকাদজা ৫-০-৩১-০, জঙ্গুয়ে ১০-০-৫৬-০, বার্ল ১.১-০-৮-০, শুম্বা ৪.৫-০-২৭-০, রাজা ৯-০-৪৮-১, মাধেভেরে ১-০-৫-০)।

জিম্বাবুয়ে: ৪৮.২ওভারে৩০৭/৫ (চাকাভা২, মুসাকান্দা৪, কাইয়া১১০, মাধেভেরে১৯, রাজা১৩৫*, জঙ্গুয়ে ২৪, শুম্বা ১*; মুস্তাফিজ৯-০-৫৭-১, শরিফুল৮.৪-০-৫৭-১, তাসকিন১০-১-৫২-০, মিরাজ১০-০-৫৯-১, মোসাদ্দেক৯.২-০-৬৭-১, মাহমুদউল্লাহ১.২-০-১২-০)।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন