নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২৩৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করার আগে পাঁচ উইকেট হারায় অষ্টেলিয়া। এরপর অ্যালেক্স কেয়ারি ও ক্যামেরন গ্রিনের ১৫৮ রানের রের্কড গড়া জুটিতে হাঁটি হাটি পা পা করে জয়ের পথে হাঁটতে থাকে অজিরা। তবে দলীয় ২০২ রানে কেয়ারি সাজঘরে ফেরার পর খুব দ্রুতই ফিরেন ম্যাক্সওয়েল ও মিচেল স্টার্ক। এতে আবারো বিপদে পড়ে দল। তবে ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটে চড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অ্যারেন ফিঞ্চের দল। ৯২ বলে ৮৯ রান করে ম্যাচসেরার পুরুষ্কারও জিতেন গ্রিন।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার মার্টিন গাপটিল দ্রুত ফিরলেও দারুণ শুরু করে নিউজিল্যান্ডের প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের চারজনই। ডেভন কনওয়ের ৪৬, কেন উইলিয়ামসনের ৪৫ টম ল্যাথামের ৪৩ রানের ভর করে বড় সংগ্রহের পথে ছিলো দল। তবে শেষের দিকে কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারায় ২৩২ রানে থামে কিউইদের ইনিংস।

২৩৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৪৪ রানে ৫ উইকেট হারায় অষ্টেলিয়া। কিউই বাঁহাতি পেসার বোল্টের আগুন ঝরা বোলিংয়ে তুরুপের তাসের মতো ভেঙ্গে পড়ে অজিদের ব্যাটিং লাইনআপ।

মাঝ সমুদ্রে পথ হারানো অষ্টেলিয়ান দলটিকে পথ দেখান অ্যালেক্স কেয়ারি ও ক্যামেরন গ্রিন। ষষ্ঠ উইকেটে গড়েন রেকর্ড ১৫৮ রানের জুটি।

দলীয় ২০২ রানের মাথায় কেয়ারিকে আউট করে ম্যাক্সওয়েল ও স্টার্ককেও দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে ম্যাচের নাগাল নিতে ব্যর্থ চেষ্টা চালায় সফরকারীরা। তবে ক্যামেরন গ্রিন দক্ষ নাবিকদের মতো করে অজিদের জয়ের জাহাজ তীরে ভিড়িয়ে মাঠ ছাড়েন। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো অষ্টেলিয়া।

আগামী বৃহস্পতিবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৩২/৯ (গাপটিল ৬, কনওয়ে ৪৬, উইলিয়ামসন ৪৫, ল্যাথাম ৪৩,
স্টার্ক ৯-২-৪৩-১, হেইজেলউড ১০-১-৩১-৩, জ্যাম্পা ১০-০-৩৮-১, ম্যাক্সওয়েল ১০-০-৫২-৪)

অস্ট্রেলিয়া: ৪৫ ওভারে ২৩৩/৮ (ওয়ার্নার ২০, কেয়ারি ৮৫, গ্রিন ৮৯*,
বোল্ট ১০-২-৪০-৪, হেনরি ১০-০-৫০-২, ফার্গুসন ৯-০-৬০-২)

ফল: অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেটে জয়ী

ম্যাচ সেরাঃ ক্যামেরন গ্রিন


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন