বৃহস্পতিবার রাতে ইউরোপা লিগে মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল সোসিয়েদাদ। ম্যাচটিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারতে হয়েছে ১-০ ব্যবধানে। এর আগে ৬ বারের প্রচেষ্টায় কখনোই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারাতে পারেনি রিয়াল সোসিয়েদাদ।

তবে সপ্তম বারের প্রচেষ্টায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে তারা হারিয়ে দিল। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর একাদশে ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০০২ সালের পর প্রথম তাকে ইউরোপা লিগে খেলতে দেখা গেল। ২০০২ সালে রোনালদো যখন ইউরোপা লিগে খেলেছিলেন তখন ইউরোপা লিগের ফরমেট ছিল ভিন্ন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়ে তাকে খেলতে হচ্ছে ইউরোপের দ্বিতীয় সেরা আসরে। কিন্তু এই টুর্নামেন্টেও ইউনাইটেড ও রোনালদোর শুরুটা ভালো হলো না।

এদিন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এক মিনিট নিরবতা পালন করে শুরু হয় ম্যাচ। কালো আর্ম ব্যান্ড পরে মাঠে নামেন ফুটবলাররা।

ইউরোপা লীগের প্রথম ম্যাচে শুরুর একাদশে থাকলেও খুব একটা বেশি সুবিধা করতে পারেননি রোনালদো। যদিও ৩৪ মিনিটে একটি গোল করেছিলেন তিনি কিন্তু অফসাইডের জন্য গোলটি বাতিল হয়ে যায়। বরং ম্যাচের ৫৯ তম মিনিটে বিতর্কিত একটি পেনাল্টি পায় রিয়াল সোসিয়েদাদ। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ব্রেইস মেন্দেজে।

এরপর ইউনাইটেড ম্যাচের বাকি সময় প্রচেষ্টা চালালেও আর গোলের দেখা মেলেনি তাদের। যার ফলে ১-০ গোলের ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে এরিক টেন হাগের দলকে। ইউরোপা লীগের রোনালদোর শুরুটা হল হারের মাধ্যমে।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন