ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের ৪০০তম ম্যাচে চোখ রাঙ্গাচ্ছিলো ধবলধোলাই। তবে বড় হয়ে ধবলধোলাই এড়ালো বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ১০৫ রানে হারিয়েছে তামিম ইকবালের দল।

জিম্বাবুয়ে সফরে ম্যাচ টস হারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তৃতীয় ওয়ানডেতেও টস হারে বাংলাদেশ। টস জিতে সফরকারীদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। আগে দুই ম্যাচে বড় সংগ্রহ করে ম্যাচ হারা বাংলাদেশ এনামুল হক বিজয়ের ৭৬ ও আফিফ হোসেন ধ্রুবের ৮৬ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেট হারিয়ে স্কোরকার্ডে যোগ করে ২৫৬ রান।

দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশকে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ পেতে জিম্বাবুয়ের দরকার ছিলো ২৫৭।

আগের দুই ম্যাচে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জেতা জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা আজ দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশের বোলারদের সামনে। মাত্র ৩১ রান তুলতেই হারায় ৫ উইকেট। আগের দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জেতানো সিকান্দার রাজা অভিষেক হওয়া এবাদের বলে ফিরেন গোল্ডেন ডাকে। ৮৩ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে দুই অঙ্কের ঘরে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জাগে স্বাগতিকদের। তবে শেষের দিকে দুই বোলার এনগারভা ও নিয়াউচির আক্রমনাত্মক ব্যাটিংয়ে দলীয় রান তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করলেও তাতে হারের ব্যবধান কমে শুধু।

শেষ পর্যন্ত ৩২.২ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানে থামে স্বাগতিকদের ইংনিস এবং ১০৫ রানে স্বাগতিকদের হারিয়ে ধবলধোলাই এড়ায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ১৭ রান খরচায় তুলে নেয় ৪ উইকেট। অভিষেক হওয়া এবাদত ও স্পিনার তাইজুল নেন ২ টি করে উইকেট। একটি করে উইকের শিকার করেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদি মিরাজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৫৬/৯ (তামিম ১৯, এনামুল ৭৬, মাহমুদউল্লাহ ৩৯, আফিফ ৮৫*, এনগারাভা ১০-১-৫১-১, নিয়াউচি ৬-০-২৪-০, ইভান্স ৮-১-৫৩-২,

জিম্বাবুয়েঃ ৩২.২ ওভারে ১৫০/১০  (এনগারভা ৩৪*, নিয়াউচি ২৬)

মুস্তাফিজুরঃ ৫.২-০-১৭-৪
তাইজুলঃ ৯-০-৩৪-২
এবাদতঃ ৮-১-৩৮-২

ফলাফলঃ বাংলাদেশ ১০৫ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরাঃ আফিফ হোসেন ধ্রুব

সিরিজ সেরাঃ সিকান্দার রাজা


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন