মেসি-নেইমার জুটির নৈপুণ্যে লিগ ওয়ানে আরো একটি জয় পেলো পিসএজি। আজ নিজেদের ঘরের মাঠে ব্রেস্তেকে ১-০ গোলে হারিয়েছে মেসি-নেইমারদের দল। পিএসজির হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন নেইমার, করিয়েছেন মেসি। তবে মেসি-নেইমার বাইরেও এই ম্যাচে পিএসজিকে জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা। পেনাল্টি সেভ করে দলকে পয়েন্ট ভাগাভাগি করা থেকে রক্ষা করেন এই ইতালিয়ান গোলরক্ষক।

ম্যাচের মাত্র নবম মিনিটেই গোল পেতে পারতো ব্রেস্ত। তবে সতীর্থের পাস থেকে ডান দিক থেকে আসা বলটিতে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন দলটির আলজেরিয়ান স্ট্রাইকার ইসলাম স্লিমানি। মিনিট তিনেকপর সহজ একটি সুযোগ মিস করেন এমবাপ্পেও। মেসির দারুণ পাসে ডি বক্সে বল পেয়ে এমবাপ্পে উড়িয়ে মারেন।

ম্যাচের বয়স যখন ২৪ মিনিট, নেইমারকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ব্রেস্ত ডিফেন্ডার ডিফেন্ডার ক্রিস্তফ এরেল। তবে ভিএআর প্রযুক্তির কল্যাণে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি। কারণ ভিএআরে দেখা যায় আক্রমনের শুরুতে অফসাইডে ছিলেন নেইমার।

অবশেষে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে গোলের দেখা পায় পিএসজি। ডি বক্সে নেইমারের উদ্দেশ্যে বল পাঠান মেসি, ডান পায়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বা পায়ে জালে পাঠান নেইমার। এই গোলে লিগ ওয়ানে সাত ম্যাচে মোট ৮ গোল করে এককভাবে শীর্ষে উঠে গেলেন নেইমার। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৯ ম্যাচে এই ব্রাজিলিয়ানের পা থেকে পিএসজি পেয়েছে ১০ গোল। সাত ম্যাচ খেলে তিনটি গোল ও সাতটি অ্যাসিস্ট করিয়েছেন মেসি।

এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া পিএসজি দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে পারতো আরো কয়েকটি। তবে কখনো মেসি হেড গোলপোস্টে লেগে কিংবা এমবাপ্পের নেওয়া শট প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের সেইভে গোল বঞ্চিত হয় দলটি।

ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকা পিএসজির এক সময় শঙ্কা জাগে পয়েন্ট ভাগাভাগি করার, ম্যাচের ৭০তম মিনিটে পিএসজি ডিফেন্ডার কিম্পেম্বে নিজেদের বক্সে প্রতিপক্ষের একজনকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে স্লিমানির নেওয়া শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন দোন্নারুম্মা। বাকি সময়টাতে কয়েকটি দারুণ সেইভে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এই ইতালিয়ান গোলরক্ষক।

লিগ ওয়ানে সাত ম্যাচে ৬ জয় ও এক ড্রয়ে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এলো পিএসজি। সমান ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে লঁস।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন