ভারত ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার তৃতীয় ওয়ানডেতে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম বলেই এক অদ্ভুত ঘটনা দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। ভারতের হয়ে ইনিংসের প্রথম বল করতে আসেন দিপক চাহার । জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্যাটিংয়ে অপর প্রান্তে ব্যাট করতে এসেছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া । দিপক চাহার বল করার জন্য দৌড় শুরু করলে কাইয়া পিচের দাগ থেকে বের হয়, এমন সময় দীপক চাহার স্ট্যাম্পের বেল ফেলে দেয়। এমন আউট ক্রিকেট বিশ্বে মানকাডিং নামে পরিচিত।

মানকাডিং নাম প্রথম আসে ১৯৪৭ সালে, নন স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা বিল ব্রাউনকে তখন আউট করেছিলেন ভিনু মানকড়। তীব্র সমালোচনার মুখে পড় আউটটির নাম হয়ে যায় মানকড়ের নামে।

মানকাডিং নতুন করে আলোচনায় আসে ২০১৯ আইপিএলে জোস বাটলারকে রবীচন্দ্রন অশ্বিন মানকাডিং করার পর। ওই আউটের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন অশ্বিন। তবে সবসময়ই এই আউটের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন ভারতীয় তারকা।

তবে যাই হোক আজ দীপক চাহারের ক্ষেত্রে ঘটলো ভিন্ন এক ঘটনা। তিনি স্ট্যাম্প ফেলে দিলেন ঠিকই কিন্তু তিনি আম্পায়ার দের কাছে আপিল করলেন না যার ফলে বেঁচে গেল কাইয়া। এর ফলে বোঝা যায় তিনি প্রথমবার তাকে সতর্ক করলেন পরেরবার এমন ভুল করলে তার আর রক্ষা নেই। এমন ঘটনার পর নেট দুনিয়ায় প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপক চাহার। সবাই তার এই কাজের জন্য বাহবা দিচ্ছে।

আইসিসির নতুন নিয়মে এখন থেকে নন-স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যানকে ডেলিভারির আগেই বোলার রান-আউট করলে তা অনৈতিক বা স্পিরিট-বিরোধী বলে বিবেচনা করা যাবে না। বরং ব্যাটসম্যানকে রান-আউট দেওয়া হবে স্বাভাবিক নিয়মে। এতদিন মানকাডিংকে ‘আনফেয়ার প্লে’ (ল-৪১) হিসেবে চিহ্নিত করা হতো আইসিসির নিয়মে। এবার থেকে তা বিবেচিত হবে ‘ফেয়ার প্লে’ হিসেবে। মানকাডিংকে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে রান-আউটের কোটায় (ল-৩৮)।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন