বর্তমান ব্রাজিল দলে বসেছে তরুণ তারকারদের মেলা। রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রদ্রিগো, বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া রাফিনিয়া, টটেনহ্যাম হটস্পারের স্ট্রাইকার রিচার্লিসন, নিউ ক্যাসল ইউনাইটেডের ব্রুনো গুইমারেস, আয়াক্স আমস্টারডামের উইঙ্গার আন্তোনি এবং আতলেতিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড মাথেউস কুনইয়া। এসকল তরুণ তারকারা সকলেই আছেন নিজ ক্লাবের হয়ে দূর্দান্ত ফর্মে।

তাইতো তরুণ এই তুর্কিদের নিয়ে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর ব্রাজিল কোচ তিতে।

সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিতে জানান তরুণদের নিয়ে তার স্বপ্নের কথা, তিতে জানান তরুণরা দায়িত্ব নিলে চাপ কমবে নেইমারেরও।

“আমার বিশ্বাস, এই তরুণদের আগমণ মাঠে ও মাঠের বাইরে নেইমারের জন্য ভালো হবে।”

“একদিন নেইমার আমার দিকে চেয়ে বলল, কোচ এই ছেলেগুলো যারা আসছে…এদেরকে একসঙ্গে মাঠে নামানোটা সত্যিই কী মধুর মাথাব্যথাই না হবে।”

আগামী নভেম্বরে শুরু হবে কাতার বিশ্বকাপ। এবারের আসরে প্রতিটি দল স্কোয়াডে রাখতে পারবে ২৬ জন করে খেলোয়াড়। ম্যাচে বদলি নামাতে পারবে পাঁচ জন করে। এতে করে তিতের হাতে সুযোগ থাকবে নেইমারকে আরো কার্যকর ভূমিকায় ব্যবহার করার।

“নেইমার আরও সৃষ্টিশীল হয়েছে, পয়েন্ট গার্ড (কড়া পাহারায় থেকে প্রতিপক্ষের তান কেঁটে দেওয়া), আক্রমণ তৈরি এবং গোল করায় সে অনেক উন্নতি করেছে, কিন্তু…তার ভূমিকা তির এবং ধনুকের মতো, আক্রমণ তৈরি করা এবং ফিনিশ করা।”

“ফুটবল এখন গতিময় খেলা এবং আমরা অনেক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হব, যারা পাঁচ ডিফেন্ডার দিয়ে গভীর রক্ষণভাগ নিয়ে খেলবে। প্রায়ই নেইমার দ্বৈত ভূমিকায় খেলে। এখন যদি সে সেটা করে, অন্য খেলোয়াড়দের খেলার জন্য জায়গা তৈরি করে দেয়, তাহলে সেটা দলের জন্য নির্ণায়ক এবং গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এ ‍মুহূর্তে আমরা ভালো একটা অবস্থানে আছি।”

 

২০১৮ বিশ্বকাপে তিতের অধীনে খেলা ব্রাজিল বিদায় নেয় কোর্য়াটার ফাইনাল থেকে। কাতার বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের দায়িত্বে থাকবেন তিতে। তবে ব্রাজিলিয়ান কোচের দাবি আগের চাইতে বর্তমান তিনি বেশ ভালো। বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে পারফরম্যন্সের পাশাপাশি মানসিকভাবেও শক্ত থাকা দরকার বলে মনে করেন তিতে।

“পারফরম্যান্সই আসল। এটা মৌলিক বিষয় এবং আমরা সেটা নিয়মিতভাবে ভালোই করি। কিন্তু বিশ্বকাপে কঠিনতম একটা দিক হচ্ছে, মানসিক। বিশ্বকাপে মানসিক দিক বা এর চাপ অনেক, অবিশ্বাস্য রকমের।”

তরুণদের সমন্বয়ে দল সাজালেও তিতে বিশ্বাস তারা দায়িত্ব নিতে পারবে।

“অভিজাত ক্লাবগুলোতে তাদের উপস্থিতি অনেক বেশি এবং এ কারণে স্বাভাবিকভাবে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলার ওজনটা তারা বোঝে। চাপ আছে, কিন্তু তারাও তা জয়ের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত।”

তরুণদের নিয়ে দেখা তিতের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয় কি না তা জানতে আপাতত অপেক্ষা করতে হবে কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত।

“পারফরম্যান্সই আসল। এটা মৌলিক বিষয় এবং আমরা সেটা নিয়মিতভাবে ভালোই করি। কিন্তু বিশ্বকাপে কঠিনতম একটা দিক হচ্ছে, মানসিক। বিশ্বকাপে মানসিক দিক বা এর চাপ অনেক, অবিশ্বাস্য রকমের।”


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন