বয়স যে শুধুমাত্র একটা সংখ্যা তা প্রমাণ করেছেন অনেক ক্রিকেটারই। তবে অ্যান্ডারসন যেভাবে প্রমাণ করে যাচ্ছেন তা অনেকের কাছে হয়তো রূপকথার মত।

যেখানে ৩০ ঊর্ধ্বে বয়স গেলেই ক্রিকেটে পেস বোলাররা ক্রিকেটের বড় ফরম্যাট গুলোকে বিদায় বলে টি-টোয়েন্টির দিকে মনোযোগ দেয়। সেখানে অ্যান্ডারসন ৪০ বছর বয়সে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ফরম্যাট খেলে যাচ্ছেন।

টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে তৃতীয় এবং পেস বোলার হিসেবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার অ্যান্ডারসন। ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৭৪ টেস্টে তার উইকেট সংখ্যা ৬৬৩ টি।

তবে তিনি আরো এক অনন্য কীর্তি স্থাপন করেছেন যাতে ভাগ বসাতে পারেনি কেউ । সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ওল্ড ট্রাফোর্ডে খেলতে নেমে নিজের দেশের মাটিতে ১০০ টেস্ট খেলার নজির গড়লেন অ্যান্ডারসন। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক টেস্ট অভিষেকের ১৯ বছর পর এসে এই রেকর্ডের মালিক হলেন অ্যান্ডারসন।

তিনি প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজ দেশের মাটিতে ১০০ খেলার গৌরব অর্জন করলেন । দ্বিতীয় স্থানে থাকা শচীন টেন্ডুলকার নিজ দেশের মাটিতে খেলেছেন ৯৪ টি টেস্ট । তৃতীয় স্থানে থাকা রিকি পন্টিং নিজ দেশের মাটিতে খেলেছেন ৯২ টেস্ট। তালিকায় চার নম্বরে রয়েছেন অ্যান্ডারসনের সতীর্থ স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি ইংল্যান্ডে ৯১টি টেস্ট খেলেছেন। ব্রড এখনও খেলছেন। তাই পন্টিং, সচিনকে টপকে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তাঁর কাছে।

টেস্টে উইকেটের তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছেন অ্যান্ডারসন। ১৭৪টি টেস্টে তাঁর উইকেটের সংখ্যা ৬৬১। তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মুথাইয়া মুরলীধরণ। শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন স্পিনারের ১৩৩টি টেস্টে ৮০০টি উইকেট রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন স্পিনার শেন ওয়ার্ন ১৪৫টি টেস্টে ৭০৮টি উইকেট নিয়েছেন।

তবে পন্টিং, মুথাইয়া মুরলীধরণ, শেন ওয়ার্ন এবং শচীন অবসর নিয়েছেন অনেক আগেই । কিন্তু অ্যান্ডারসন এখনো খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন । তিনি সত্যিই তরুণদের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। এখন দেখা যাক অ্যান্ডারসন কোথায় থামেন ।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন