২০০২ সালে নিজেদের পঞ্চম ও সর্বশেষ বিশ্বকাপ জেতা ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপে জিততে চায় তাদের হেক্সা শিরোপা। তবে কাতার বিশ্বকাপে সেলেসাওদের স্বপ্নসারথি যিনি সেই নেইমারকে হয়তো কাতার বিশ্বকাপটা কাটাতে হতে পারে জেলে বসে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ব্রাজিলের। এবার কাতার বিশ্বকাপে তরুণদের নিয়ে নেইমার ব্রাজিলকে ২০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শিরোপা উপহার দিবে এমনটা স্বপ্ন দেখছেন ব্রাজিলিয়ান সমর্থকেরা। তবে সম্প্রতি পুরোনো এক অভিযোগে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে।

গত বুধবার (২৭ জুলাই) নেইমারকে নিয়ে স্প্যানিশ পত্রিকা মার্কা এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে নেইমারের সঙ্গে চুক্তি হয় বার্সেলোনার। সে সময়ে নেইমারের মূল্যের ৪০ ভাগ মালিকানা ছিল ডিআইএসের। ১৭.১ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে সান্তোস থেকে নেইমারকে কিনে নেয় বার্সা। ফলে ওই টাকার ৪০ ভাগ পায় ডিআইএস। কিন্তু পরে জানা যায় নেইমারকে কিনতে ৫৭.১ মিলিয়ন খরচ হয়েছিল। এই সত্য জানতে পেরে ব্রাজিলিয়ান বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগ করে দলবদলের আসল অঙ্ক গোপন করে তাদের ঠকানো হয়েছে।

পরবর্তীতে জানা যায়, বার্সেলোনাকেই বেছে নেয়া নিশ্চিত করতে নেইমার ও তার বাবাকে আরও ৮৩.৩ মিলিয়ন ইউরোর মতো খরচ করতে হয়। আর এই অর্থের পরিমাণ গোপন রাখার ফলে বিশাল অঙ্ক হাতছাড়া হয় ডিআইএসের। ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি নেইমার ও তার বাবার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করে।

তাছাড়াও স্পেনের ট্যাক্স কর্তৃপক্ষ নেইমারকে দুই বছরের জেল সহ ১০ মিলিয়ন ইউরো আর্থিক জরিমানা দাবি করেছে বলে জানা যায় প্রতিবেদন থেকে।

আগামী ১৭ অক্টোবর এই মামলার শুনানি হবে বার্সেলোনার আদালতে। কাতার বিশ্বকাপ শুরু হবে ২১ নভেম্বর থেকে। মামলার রায় যদি এই ব্রাজিলান তারকার বিপক্ষে যায় তবে নেইমারের কাতার বিশ্বকাপটা মাঠে নয়, উপভোগ করতে হতে পারে জেলে বসে।


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন