জিম্বাবুয়ে’কে সাত উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ, পাঁচ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা মোসাদ্দেক

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭ রানে হারার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ উইকেটে স্বাগতিকদের হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা আনে বাংলাদেশ।

প্রথম ম্যাচে বল হাতে দলের একমাত্র সফল বোলার ছিলেন মোসাদ্দেক। দ্বিতীয় ম্যাচেও তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তিনি। ৪ ওভারে ২০ রান খরচ করে চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে তুলে নিলেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফরমেটে পঞ্চম উইকেট।

প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৪৬ রান তুলতে গিয়ে ৫ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে অবশ্য ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করতে পেরেছে ১৩৫ রান।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ঘূর্ণিতে একের পর এক কূপকাত হতে থাকে জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা। স্বাগতিকরা টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩১ রান তুলতে হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। এরপর সিকান্দার রাজা ও রায়ান বুর্লের ৮০ রানে পার্টনারশীপে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে।

আগের ম্যাচে বাংলাদেশ বোলারদের তুলোধুনো করা সিকান্দার রাজা আজও খেলেন ৫৩ বলে ৬২ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেন রায়ান বুর্ল, ৩১ বলে ৩২ রান করেন এই ব্যাটসম্যান।

বাংলাদেশের হয়ে ইলিয়াস সানি, সাকিব আল হাসান, ও মুস্তাফিজুর রহমান এর পর চতুর্থ বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন মোসাদ্দেক। তার ৪-০-২০-৫ বোলিং ফিগারটি সাকিবের সাথে বাংলাদেশের হয়ে যৌথ দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৩৭ রানে মুনিম শাহরিয়ারকে হারায় বাংলাদেশ। ৭৮ রানে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন লিটন কুমার দাস। আউট হওয়ার আগে তুলে নেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের ৬ষ্ঠ অর্ধশতক। ৩৩ বলে ২ ছক্কা ও ৬ চারে ৫৬ রান করেন লিটন। দলীয় ৮১ রানে এনামুল হককে ফেরান সিকান্দার রাজা। তবে চতুর্থ উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন আফিফ-শান্ত।

২৮ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন আফিফ।শান্তের ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ১৯ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

জিম্বাবুয়ে: ২০ ওভারে ১৩৫/৮ (চাকাভা ০, আরভিন ১, মাধেভেরে ৪, রাজা ৬২, উইলিয়ামস ৮, শুম্বা ৩, বার্ল ৩২, জঙ্গুয়ে ১০, মাসাকাদজা ৬, এনগারাভা ০*; মোসাদ্দেক ৪-০-২০-৫, মেহেদি ৩-০-১০-০, মুস্তাফিজ ৪-০-৩০-১, শরিফুল ৪-০-৩৭-০, হাসান ৪-০-২৬-১, আফিফ ১-০-১২-০)

বাংলাদেশ: ১৭.৩ ওভারে ১৩৬/৩ (লিটন ৫৬, মুনিম ৭, এনামুল ১৬, আফিফ ৩০*, শান্ত ১৯*; মাসাকাদজা ৩-০-২২-০, এনগাভা ৩-০-২৩-১, চিভাঙ্গা ১.৩-০-১৯-০, উইলিয়ামস ২-০-১৩-১, বার্ল ১-০-১২-০, রাজা ৩-০-১৮-১, মাধেভেরে ৩-০-১৮-০, জঙ্গুয়ে ১-০-৭-০)

ম্যাচসেরাঃ মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত


সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের Google News ফিডটি ফলো করুন