ফুটবল

কোস্টারিকার জালে স্পেনের ❝সেভেন আপ❞ উৎসব!

আগের ম্যাচে জার্মানরা অঘটনের শিকার হলেও তরুণদের নিয়ে গড়া এনরিকের দলটি কেইলর নাভাসের কোস্টারিকাকে গুনে গুনে দিয়েছে সাত, সাতটি গোল।

desk

২৪ নভেম্বর ২০২২, রাত ১২:২০ সময়

[ InShot_20221124_001435965.jpg ]

স্পেনের ম্যাচ মানেই টিকি-টাকা ফুটবল, একের পর এক পাস খেলে আক্রমণে উঠে দলটি। কোস্টারিকার বিপক্ষে আজ দেখা মিললও একই দৃশ্যের। নিজেদের মধ্যে মোট ৯৯৪টি পাস খেলে গোল উৎসব করেছে স্প্যানিশরা। গাভি-মোরাতাদের পাসিং ফুটবলের সামনে কোস্টারিকার ফুটবলারদের পারফর্মফ্যান্স তুলনা করা যেতে পারে আল বায়াত স্টেডিয়ামে টিকেট কেটে ম্যাচটি উপভোগ করতে আসা দর্শকদের সাথে। টিকেট কেটে তারা গ্যালারিতে দর্শক হয়ে থাকলেও মাঠের খেলায় এক প্রকার দর্শক বনে গিয়েছিল কোষ্টারিকান ফুটবলাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোলবারের নিচে দাঁড়ানো অভিজ্ঞ গোলকিপার কেইলর নাভাসের কঠিন পরিক্ষা নিয়েছে গাভি-তোরেসরা। 

ম্যাচের ২২তম মিনিট পর্যন্ত স্পেনের তারুণ্যে গড়া দলটিকে আটকে রাখতে পেরেছিল কোস্টারিকার ফুটবলাররা। এরপর শুরু হয় গোল উৎসব। ওলমোর করা গোলের পর  জর্দি আলবার দারুন এক ক্রসকে বুকের একপাশ দিয়ে নামিয়ে এনে দারুণ এক গোল করে ব্যবধান দ্বিগুন করেন নাভাসের এক সময়ের ক্লাব সতীর্থ অ্যাসেনসিও। ২৯তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যাচের তৃতীয় গোলটি করেন ফেরান তোরেস। ২৫০ পাস খেলে তিন গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় স্পেন।

 

দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের টিকি-টাকার বিরুদ্ধে একেবারে নিরব দর্শক বনে যায় প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ৫৫তম মিনিটে ফেরান তোরেস প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেও কোস্টারিকান রক্ষণভাগ নিজ দায়িত্বেই ফেরানের পায়ে বল তুলে দেন আবার। এইবার আর গোল করতে ভুল করেনি এই স্প্যানিশ।ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন তিনি। 

 

ম্যাচটি শেষ হতে পারত ৪-০ গোলের ব্যবধানে। তবে ৭৫ তম মিনিটে স্পেনের জার্সিতে বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে গোল করে রেকর্ডবুকে নিজের নামটি তুলে নেওয়ার সাথে ৫-০ করেন ম্যাচের স্কোরলাইন। ৯০তম মিনিটে কার্লোস সোলেরের করা গোলে আধাডজন পূণ হয় স্পেনের। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ম্যাচের সপ্তম গোলটি করেন মোরাতা।

 

রেফারি শেষ বাঁশি বাজালে ৭-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এনরিকের দল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই জয়টিই স্পেনের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ৬-১ গোলে জয় পেয়েছিল স্পেন।

//