ক্রিকেট

এক নজরে ২০২২ সালে মনে রাখার মত ক্রিকেট ম্যাচগুলো

এ বছর বেশ কিছু শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে টিভি থেকে চোখ সরাতে পারেনি দর্শকরা

desk

২৬ ডিসেম্বর ২০২২, দুপুর ৩:২৯ সময়

[ 1.jpg ]

দেখতে দেখতে ক্রিকেটের আরো একটি রোমাঞ্চকর বছরের সমাপ্তি হতে চলেছে। এ বছর ছিল অস্ট্রেলিয়ায় টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যা ছিল রোমাঞ্চে ভরপুর। তাছাড়া এ বছর এমন অনেক ক্রিকেট ম্যাচ হয়েছে যা ক্রিকেট সমর্থকরা অনেকদিন পর্যন্ত মনে রাখবে। এমনই কিছু ম্যাচের কথা মনে করে নেওয়া যাক‌।

১. মেহেদী হাসান মিরাজের অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলা

ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজ যে ইনিংসটি খেলেছেন তা ছিল অকল্পনীয়। ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ১৩৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলার পরও মুস্তাফিজকে নিয়ে ৫১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতায়। তার এই ইনিংস ক্রিকেট ভক্তরা হয়তো কোনদিনও ভুলবেনা।

২. বিরাটের ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস

বিরাট কোহলি ভারতকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছে। অনেক কঠিন পরিস্থিতিতেও বিরাট কোহলি খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন। তাহলে বিরাট কোহলি যেটিকে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস বলে দাবি করবেন সেই ম্যাচের উত্তেজনা কতটা হবে তা বলাই বাহুল্য। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরাটের সেই অতিমাণবীয় ইনিংসও ক্রিকেট ভক্তরা ভুলবেনা। ১৫৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে একাই ভারতকে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন বিরাট।

৩. অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দাসুন শনাকার ইনিংস

আধুনিক ক্রিকেটেও ১৭ বলে ৫৮ রান করা বেশ কঠিন একটি কাজ। তাও সেটি যদি হয় অস্ট্রেলিয়া বোলিংয়ে লাইনআপের বিরুদ্ধে তাহলে সেটা প্রায় অসম্ভবই বলা যায়। তবে সেটিকে সম্ভব করেছে দাসুন শনাকার ১৩ বলে ৪৮ রানের অসাধারণ ইনিংস। যার ফলে ম্যাচটিতে শ্রীলংকা জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

৪. টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে 

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিম্বাবুয়ের জয়

পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচে সবচেয়ে বড় অঘটন গুলোর শিকার হয়ে থাকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তারা অঘটনের শিকার হয়েছে। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩১ রান তাড়া করতে নেমে ১ রানে হার মানতে হয় তাদের। ম্যাচটি ছিল শ্বাসরুদ্ধকর ও উত্তেজনাপূর্ণ। জিম্বাবুয়ের এই জয়টিও বেশ অনেকদিন মনে রাখবে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

৫. রবিচন্দ্রন অশ্বিনের লড়াকু মানসিকতা

মিরপুর  টেস্ট ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪৫ রান। লক্ষ্যটা সহজ হলেও বাংলাদেশের স্পিন কন্ডিশনে তা হয়ে দাঁড়ায় পাহাড় সমান। ৭৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পরে ভারত। সেখান থেকে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা ছিল ক্ষীণ। তবে সেখান থেকে রবিচন্দ্রন আশ্বিনের ৪২ রানের ইনিংসটি ছিল অতি অসাধারণ। ম্যাচটিও ভারত ৩ উইকেটে জিতে নেয়। এই ম্যাচটি প্রমাণ টেস্ট ম্যাচের রোমাঞ্চকতা এখনো কমে যায়নি। এই ম্যাচটিও ক্রিকেট ভক্তরা ভুলবেনা।

//