নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে সেট-পিসে ঠাসা লড়াই শেষে জয় পেয়ে খুশি লিভারপুল কোচ আর্না স্লট।
ম্যাচের প্রায় ৬০ শতাংশ সময় বল খেলায় ছিল না। ফ্রি-কিক, কর্নার বা থ্রো-ইন ছাড়া খেলায় তেমন কিছু দেখা যায়নি। আর্না স্লট বলেন, “ম্যাচটি ফুটবল ম্যাচের মতো মনে হয়নি, তবে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছি বলে সন্তুষ্ট।”
সেন্ট জেমস পার্কে সোমবার প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুল ৩-২ গোলে জয়ী হয়। দুই দল মিলিয়ে ৩২টি ফাউল হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি হলুদ ও একটি লাল কার্ড। মোট কর্নার হয়েছে ৮টি, যার ৭টি নিয়েছে নিউক্যাসল।
খেলাধুলার তথ্য সংস্থা অপ্টা জানিয়েছে, ম্যাচে মাত্র ৪০.৮ শতাংশ সময় বল খেলায় ছিল, যা ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারির পর প্রিমিয়ার লিগে সর্বনিম্ন।
ম্যাচ শেষে স্লট বলেন, “কৌশলের তেমন কোনো ছোঁয়া ছিল না। কেবল সেট-পিসের পর সেট-পিস এবং লম্বা থ্রো দেখা গেছে। তবে আমাদের দৃঢ় লড়াই ভালো লেগেছে।”
প্রথমার্ধে ছন্দ পেতে কষ্ট হলেও রায়ান গ্রাভেনবার্চের গোলে লিভারপুল এগিয়ে যায়। ৩৫তম মিনিটে কোডি হাকপোর পাস থেকে বক্সের বাইরে শট করে গোল করেন নেদারল্যান্ডসের এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।
গোল হজমের পর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইককে পেছন থেকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন অ্যান্থনি গর্ডন।
প্রতিপক্ষের একজন কম থাকা সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ২৩ সেকেন্ডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে লিভারপুল। হাকপোর পাস থেকে উগো একিটিকে গোল করেন।
নিউক্যাসল হাল ছাড়েনি। ৫৭তম মিনিটে ব্রুনো গিমারাইস ব্যবধান কমিয়ে দলকে লড়াইয়ে রাখেন। ম্যাচের শেষ দিকে উইলিয়াম ওসুলার গোলে তারা সমতায় ফেরে। তবে গোলরক্ষক পোপ প্রতিটি ফ্রি-কিক নেওয়ায় লিভারপুলের সুবিধা সীমিত ছিল।
স্লট বলেন, “নিউক্যাসল ১০ জনে পরিণত হওয়ায় সুবিধা আশা করা হচ্ছিল, কিন্তু গোলরক্ষক সব ফ্রি-কিক নিয়েছেন। তাই ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করা কঠিন হয়েছিল।”
শেষ পর্যন্ত ম্যাচের হিরো হন ১৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড রিও নুমোয়া। ৯৬তম মিনিটে বদলি হয়ে নেমে ১০০তম মিনিটে ব্যবধান গড়ে দেন লিভারপুলকে।