বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দিতে চায় ফিফা, বলেছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
যদিও মাঝে মাঝে বাংলাদেশের ফুটবল কিছু ঝলক দেখিয়েছে, বড় কোনো সাফল্য অনেক বছর ধরে আসেনি। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে বাংলাদেশ সর্বশেষ সেরার স্বীকৃতি পেয়েছিল ২০০৩ সালে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থানও দীর্ঘদিন ধরে একেবারে নিচে। তবুও ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর কথায় আশাবাদী হতে পারে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা।
নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলকেও বিশ্বকাপের চূড়ান্ত মঞ্চে খেলার সুযোগ দেখছেন ইনফান্তিনো।
একজন সমর্থক সোহাগের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “অবশ্যই ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারবে। আমাদের লক্ষ্যও তাই, বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া।”
তিনি আরও জানান, “আগামী বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই আমরা এমন কিছু দল পেয়েছি যারা আগে কখনও বিশ্বকাপে খেলেনি। আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দ, কনকাকাফ থেকে কুরাসাও, উজবেকিস্তান প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে উঠেছে, জর্ডানও প্রথমবার খেলার সুযোগ পাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের মতো ফুটবলের rapidly growing দেশও এই সুযোগ পাবে।”
গত বছরে জামাল-তপুরা, হামজা ও শমিত সোমদের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে দলটির পারফরম্যান্সে উন্নতির আভাস পাওয়া গেছে। ইনফান্তিনো বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের উন্নতির ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, “ফিফা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনেক বিনিয়োগ করছে। এখানে ফুটবলে দারুণ সব মেধা বিকশিত হচ্ছে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেই মেধাবী খেলোয়াড় আছে। আমরা আশা করছি নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে খেলার দৃশ্য দেখতে পারব।”