“ইচ্ছে করেই আমরা ছয় ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলেছি,” পরাজয়ের পর এমনটাই বললেন ভারতীয় অধিনায়ক।
বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান ছিলেন একাদশে পাঁচজন। অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকে ধরলে সংখ্যা দাঁড়ায় ছয়। সাত নম্বরে নামতে হয় হার্শিত রানাকে, যিনি ব্যাট করতে পারলেও মূলত বোলার। এরপর বাকিরা সবাই খাঁটি বোলার। এমন ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েই মাঠে নেমে শেষ পর্যন্ত হার দেখতে হয় ভারতকে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবেই ইচ্ছাকৃতভাবে কম ব্যাটসম্যান খেলানো হয়েছে।
সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে বুধবার ভারতকে ৫০ রানে হারায় নিউ জিল্যান্ড।
পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম তিনটি জিতে আগেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছিল ভারত। তবে চতুর্থ ম্যাচে ভিসাখাপাত্নামে ২০ ওভারে ২১৫ রান তোলে কিউইরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮২ রানেই ৫ উইকেট হারায় ভারত। শেষ পর্যন্ত শিভাম দুবের ২৩ বলে ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস—যেখানে ছিল ৭টি ছক্কা—সত্ত্বেও দল থামে ১৬৫ রানে।
দেখতে গেলে হারের দায়টা বোলারদের দিকেই যায়, কারণ বড় সংগ্রহ গড়েই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিউ জিল্যান্ড। তবে ম্যাচ শেষে সুরিয়াকুমার জানান, বিশ্বকাপের আগে দলকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে যাচাই করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
“আজকে আমরা ইচ্ছে করেই ছয় ব্যাটার নিয়ে খেলেছি। আমরা চেয়েছি পাঁচজন যথাযথ বোলার নিয়ে খেলতে এবং নিজেদেরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে। উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি, যদি ১৮০ বা ২০০ রান তাড়া করতে হয়, তাহলে দ্রুত দুই-তিন উইকেট হারানোর পর আমরা কেমন করতে পারি বা এই ধরনের কিছু।”
“দিনশেষে এটা ঠিক আছে। বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সবাইকে খেলাতে চেয়েছি আমরা। নাহলে তো অন্যদেরকে খেলাতেই পারতাম।”
টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়ার পেছনেও একই ভাবনার কথা জানান তিনি।
“আগে ব্যাটিংয়ে নেমে আমরা খুবই ভালো ব্যাট করছি। এজন্যই চেয়েছিলাম ছেলেরা যেন এই দায়িত্ব নেয়—১৮০ বা ২০০ রান তাড়ায় দ্রুত দুই-তিন উইকেট হারানোর পরও আমরা কেমন করি। এটা ভালো একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। আশা করি, আবার এমন সুযোগ এলে আমরা রান তাড়া করে জিততে পারব। দিনশেষে এই শিক্ষাগুলোই কাজে দেবে।”
সিরিজের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে শনিবার থিরুভানান্থাপুরামে।