থাইল্যান্ডের ১৫ দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প এবং মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচটিকে মূলত ক্রিকেটারদের ঝালিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার। বরাবরের মতোই আক্রমণাত্মক ফুটবলের ভক্ত বাটলার চান, আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও তাঁর শিষ্যরা যেন সেই একই কৌশলে মাঠে দাপট দেখায়।
আগামী ২৫ মে ভারতের গোয়ায় বসতে যাচ্ছে সাফের এবারের আসর। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত ও মালদ্বীপ। গোয়ায় যাওয়ার আগে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ব্যাংককের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেখানে ১৫ দিন অনুশীলনের পাশাপাশি দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নিজেদের ধার পরখ করবেন সাবিনাহীন এই নতুন দল।
সাফে হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন বাংলাদেশ শুরু করবে ২৯ মে মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। শক্তির বিচারে মালদ্বীপ অনেক পিছিয়ে থাকলেও তাদের মোটেও হালকাভাবে নিতে রাজি নন বাটলার। তিনি বলেন, “আমি মালদ্বীপকে অসম্মান করছি না, তবে তাদের নিয়ে খুব বেশি রেকর্ড না থাকায় স্পষ্ট ধারণা পাওয়া কঠিন। ভারত অবশ্যই শক্তিশালী দল, কিন্তু আমি প্রতিটি ম্যাচকে আলাদা গুরুত্ব দিই। আমার লক্ষ্য দলকে এমনভাবে গড়ে তোলা যেন তারা রক্ষণাত্মক না হয়ে সৃজনশীল ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে।”
পাকিস্তান সরে দাঁড়ানোয় এবার ছয়টি দল নিয়ে টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। টানা পাঁচ আসরে ভারতের রাজত্বের পর গত দুই আসরে নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। এবার ভারত তাদের হারানো মুকুট ফিরে পেতে যেমন মরিয়া, বাংলাদেশের সামনেও তেমন হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি। বাটলার মনে করেন, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মাঠে নামা সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং কারণ সবার নজর থাকে আপনাকে হারানোর ওপর।
নতুনদের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে কোচ জানান, হালিমা খাতুন বা অর্পিতা বিশ্বাসের মতো তরুণীরা অনূর্ধ্ব-২০ এএফসি কাপে খেলে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ। তিনি কেবল প্ল্যান-এ নয়, বরং প্ল্যান-বি নিয়েও কাজ করছেন। মারিয়া মান্দা বা মনিকা চাকমার মতো আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারদের পাশাপাশি রক্ষণেও বিকল্প খেলোয়াড় তৈরি করে রাখছেন তিনি। ব্যাংককের প্রস্তুতি ম্যাচে দুটি আলাদা একাদশ নামিয়ে সবাইকে পরখ করে মালদ্বীপ ম্যাচের মূল একাদশ চূড়ান্ত করবেন এই অভিজ্ঞ কোচ।