মেলবোর্ন টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন ইংল্যান্ডের পেসার গাস অ্যাটকিনসন।
ডেলিভারির পর হ্যামস্ট্রিংয়ে তান অনুভব করেন তিনি। কিছুক্ষণ পর মাঠ ছেড়ে চলে যান অ্যাটকিনসন এবং দিনের বাকি সময়ে আর ফিরে আসেননি। তার এই চোট ইংল্যান্ড দলের জন্য নতুন দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মেলবোর্নে শনিবার বক্সিং ডে টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে দুই দিনেই হারিয়ে দীর্ঘ এক অপেক্ষার অবসান করেছে ইংল্যান্ড। ৫,৪৬৮ দিন, ১৫ বছর এবং ১৮ টেস্ট পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় তারা।
অ্যাটকিনসন প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৫২ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে অবদান রাখেন। ট্রাভিস হেডের পর উসমান খাওয়াজার উইকেট নেন তিনি।
কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বিপত্তি ঘটে। দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়ার নাইটওয়াচম্যান স্কট বোল্যান্ডকে ফেরানোর পরের ওভারে হ্যামস্ট্রিংয়ে তান অনুভব করেন অ্যাটকিনসন। পঞ্চম ওভারের শেষ বল করার পর তিনি বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিং ধরে মাঠ ছেড়ে যান। তার বদলে ফিল্ডিং করেন অলি পোপ। দুর্দান্ত বোলিংয়ের ফলে ইংল্যান্ড ম্যাচটি ৪ উইকেটে জিতে নেয়।
এর আগে পার্থে প্রথম টেস্ট খেলার পর হাঁটুর চোটে পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে যান মার্ক উড। সাইড স্ট্রেইনের চোটে জফ্রা আর্চারও দুই টেস্ট খেলতে পারেননি। এবার আরেক পেসারের চোট ইংল্যান্ডের জন্য নিঃসন্দেহে দুশ্চিন্তার বিষয়।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক বেন স্টোকস বলেন, “তাকে মাঠ ছেড়ে যেতে দেখা অবশ্যই হতাশার। আমি মেডিকেল স্টাফ নই, তাই এই বিষয় তাদের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি। মাঠ ছাড়ার পর অবশ্যই স্ক্যান করা হবে এবং আমরা অপেক্ষা করব পরিস্থিতি দেখতে।”
ডান হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যা নিয়ে ২৭ বছর বয়সী অ্যাটকিনসন ঘরের মাঠে ভারতের সঙ্গে একমাত্র টেস্ট খেলেছিলেন। গত অগাস্টের ওই ম্যাচের পর অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম দুটি টেস্টে মাত্র পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। অ্যাডিলেইড টেস্টেও একাদশে ছিলেন না। মেলবোর্নে ফের চোট তাকে সমস্যায় ফেলে দিয়েছে।
সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টে অ্যাটকিনসনের খেলা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সিডনিতে ম্যাচ শুরু হবে ৪ জানুয়ারি।