তাওহিদ হৃদয় ও দাভিদ মালানের শতরানের জুটি, এরপর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্স স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল।
টুর্নামেন্টের শেষ ভাগে অধিনায়ক পরিবর্তনের মধ্যেই বোঝা গিয়েছিল দলের অনেক কিছু ঠিকঠাক নেই। পয়েন্ট টেবিলও সেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। সামান্য হলেও প্লে-অফে খেলার শঙ্কা উঁকি দিচ্ছিল রংপুরের জন্য। তবে শেষ পর্যন্ত হতাশাজনক কিছু হলো না। মালান ও হৃদয়ের দারুণ শতরানের জুটির পর নাহিদ রানার আগুনে বোলিং নতুন অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বে স্বস্তির জয় উপহার দিল এবং প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর।
টানা তিন ম্যাচে হারের পর ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১১ রানে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফে পৌঁছালো রংপুর রাইডার্স।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শনিবার রংপুর ২০ ওভারে ১৮১ রান তোলে। উদ্বোধনী জুটিতে মালান ও হৃদয় ১৪ ওভারে ১২৬ রান তুলেন। মালান ৪৯ বলে ৭৮ রান করেন ৮ চার ও ৪ ছক্কায়, হৃদয় ৪৬ বলে ৬২ রান করেন ৫ চার ও ৪ ছক্কায়।
রান তাড়ায় ঢাকা ২০ ওভারে ১৭০ রান করে। যদিও জয়-পরাজয়ের ব্যবধান বড় নয়, ম্যাচে উত্তেজনা তেমন কিছু ছিল না। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ৩০ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে ব্যবধান কমান।
নাহিদ রানার বোলিং ছিল উল্লেখযোগ্য। চার ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে তিন উইকেট শিকার করেন, যা তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কম রান দেওয়া ওভারের মধ্যে একটি।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মালান ও হৃদয় পাওয়ার প্লেতে ৫০ রান তুলেন। মালানের ফিফটি আসে ৩৫ বলে, এই আসরে তার তৃতীয় ফিফটি। হৃদয় ৪০ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন।
রংপুর শেষ তিন ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলতে ব্যর্থ হলেও সাইফ উদ্দিন ৫৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
৯ ম্যাচ শেষে রংপুরের পয়েন্ট ১০। আরেকটি ম্যাচ বাকি থাকলেও ঢাকা ৪ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নেয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
- রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৮১/৪ (মালান ৭৮, হৃদয় ৬২, মেয়ার্স ২৪, খুশদিল ৬*, লিটন ০, সোহান ১*; তাসকিন ৪-০-২০-১, মারুফ ৪-০-৪১-১, সাইফ উদ্দিন ৪-০-৩৩-২, ইমাদ ৪-০-৩৯-০, নাসির ২-০-৩০-০, আল মামুন ২-০-১৩-০)।
- ঢাকা ক্যাপিটালস: ২০ ওভারে ১৭০/৭ (উসমান ৩১, আল মামুন ০, সাইফ ১২, সাব্বির ৮, মিঠুন ২৫, শামীম ১০, সাইফ উদ্দিন ৫৮*, ইমাদ ২০, তাসকিন ২*; মেয়ার্স ১-০-১৭-০, ফাহিম ৪-০-৪৩-২, মুস্তাফিজ ৪-০-৩০-১, নাহিদ ৪-০-১১-৩, রকিবুল ৪-০-৩৬-১, খুশদিল ৩-০-২৫-০)।
ফল: রংপুর রাইডার্স ১১ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: দাভিদ মালান।