BN

তানজিমের দাপুটে বোলিংয়ে রাজশাহী পেল আরেকটি জয়

তানজিমের দাপুটে বোলিংয়ে রাজশাহী পেল আরেকটি জয়

কম রানের লক্ষ্য নিয়েও শেষ ওভার পর্যন্ত জমে উঠেছিল লড়াই। কয়েক হাজার

কম রানের লক্ষ্য নিয়েও শেষ ওভার পর্যন্ত জমে উঠেছিল লড়াই। কয়েক হাজার দর্শক মাঠ ছাড়েননি, আশা ছিল শেষ মুহূর্তে কিছু একটা হবে। পরপর তিনটি ছক্কায় উত্তেজনার রসদ জুগিয়েছিলেন আকবর আলী। শেষ দিকে চট্টগ্রাম রয়্যালস দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে নাটক বাড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি। আরেকটি জয় তুলে নিয়ে শীর্ষেই থেকে বিপিএলের প্রাথমিক পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

স্বল্প পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই করে চট্টগ্রাম। তবে শেষ পর্যন্ত রাজশাহীর দৃঢ়তা ভাঙতে পারেনি তারা। প্রথম দেখায় পাওয়া হারের বদলাও এই ম্যাচে তুলে নিল রাজশাহী। ঢাকা পর্বের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ উইকেটের জয় পায় তারা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম অলআউট হয় ১২৫ রানে। জবাবে তিন বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী।

চার ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীর জয়ের ভিত গড়ে দেন পেসার তানজিম হাসান। রান তাড়ায় শুরুতেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে রাজশাহী। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন মুশফিকুর রহিম ও আকবর আলী। ৬৬ বলে ৮৪ রানের দারুণ জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় রাজশাহী।

৪ ছক্কা ও ১ চারে ৪০ বলে ৪৮ রান করেন আকবর আলী। ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই। অন্যদিকে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪১ বলে অপরাজিত ৪৬ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন মুশফিক।

চট্টগ্রামের হয়ে আগের ম্যাচে ৯ রানে ৫ উইকেট নেওয়া শরিফুল ইসলাম এদিনও কার্যকর ছিলেন। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে শিকার ধরেন ৩টি।

এই জয়ে ১০ ম্যাচে ৮ জয় নিয়ে রাজশাহীর পয়েন্ট দাঁড়ায় ১৬। আর ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকে চট্টগ্রাম।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। প্রথম ওভারে টানা দুটি চার হাঁকান মোহাম্মদ হারিস। তবে তানজিমের সেই ওভারেই শূন্য রানে ফিরে যান মোহাম্মদ নাঈম শেখ। দুটি ছক্কায় ভালো কিছুর আভাস দিয়েছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়, কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি (১৩ বলে ১৯)। একইভাবে হারিসও থামেন ১৬ রানে।

মাহফিজুল ইসলামের ধীর ইনিংস (১৬ বলে ১০) শেষ হয় হাসান মুরাদের বলে বোল্ড হয়ে। রায়ান বার্ল একই ওভারে ফিরিয়ে দেন শেখ মেহেদি ও হাসান নাওয়াজকে। আগের ম্যাচে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলা মেহেদি এবার আউট হন মাত্র ১ রানে।

আমের জামাল দ্রুত ফিরে গেলে চট্টগ্রামের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৭৪। তখন একশ পার করাই অনিশ্চিত মনে হচ্ছিল। তবে আসিফ আলির ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে ১২৫ পর্যন্ত পৌঁছায় দলটি। ৪ ছক্কায় ২৪ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। শেষের আগের ওভারে তানজিম মাত্র ৩ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে বড় প্রভাব রাখেন।

রান তাড়ায় রাজশাহীর শুরুটাও ছিল নড়বড়ে। প্রথম দুই ওভারে ১৫ রান তুললেও পরের ওভারে শরিফুল ইসলাম মাত্র ১ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। এরপর শান্ত ও নিশামও দ্রুত ফিরে গেলে ৩১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে রাজশাহী।

সেই চাপ ভেঙে দেন মুশফিক ও আকবর। পঞ্চদশ ওভারে শেখ মেহেদিকে টানা তিন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আকবর। জয়ের ১১ রান আগে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন তিনি। এরপরও শেষ মুহূর্তে কিছুটা লড়াই জমে ওঠে।

শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৬ রান। আরাফাত সানির প্রথম বলে সিঙ্গল নেন মুশফিক, পরের বলে চার হাঁকান জাহানবাদ খান। এরপর এক রান নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনিই।

সংক্ষেপে, তানজিমের বিধ্বংসী বোলিং আর মুশফিক–আকবরের ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে আরেকটি স্মরণীয় জয় তুলে নিয়ে লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে এবারই প্রথম প্রকাশ্যে

‘পাকিস্তানকেও ভালো লেগেছে। জানি বিষয়টা রাজনৈতিক, তবু বাংলাদেশের পাশে

ক্রিকেট

বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)

ক্রিকেট

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে এবারই প্রথম প্রকাশ্যে কথা

ক্রিকেট

‘পাকিস্তানকেও ভালো লেগেছে। জানি বিষয়টা রাজনৈতিক, তবু বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোটা

ক্রিকেট

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার