পরিবারের সাথে সময় কাটাতে মেলবোর্নে যাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে ফিরে এসে নিজের মেয়াদের বাকি সময়টুকু পূর্ণ করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
দেশের প্রধান দুই খেলার সাবেক অধিনায়ক এখন দুই বড় দায়িত্বে। একজন ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান, অন্যজন পুরো ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমিনুল হককে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম।
জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে হেরে গেলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আমিনুল হক।
বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “ফুটবল মাঠে আমিনুলের নেতৃত্ব তরুণ প্রজন্মকে বরাবরই অনুপ্রাণিত করেছে। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়কের ক্রীড়া প্রশাসনের শীর্ষ পদে আসা দেশের খেলার জন্য দারুণ এক মুহূর্ত। এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতারই স্বীকৃতি।”
নতুন প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তার সাথে মিলেমিশে কাজ করার কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
তিনি বলেন, “যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমিনুল হকের মতো একজন ব্যক্তিত্বের নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য দারুণ এক পদক্ষেপ। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি মাঠের চ্যালেঞ্জ ও আকাঙ্ক্ষাগুলো ভালো বোঝেন। আমার বিশ্বাস, তার অভিজ্ঞতা বিভিন্ন খেলার উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
“দেশজুড়ে খেলোয়াড়দের সুযোগ তৈরি এবং খেলাধুলার প্রসারে নতুন প্রতিমন্ত্রী ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করতে বিসিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ,” যোগ করেন বিসিবি সভাপতি।
উল্লেখ্য, দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলকিপার আমিনুল। নব্বই দশকের মাঝামাঝি ক্যারিয়ার শুরু করে প্রায় দুই দশক দাপটের সাথে খেলেছেন ফরাশগঞ্জ, আবাহনী, মোহামেডান ও মুক্তিযোদ্ধার মতো শীর্ষ ক্লাবগুলোতে। একসময়ের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া এই ফুটবলার দীর্ঘদিন জাতীয় দলের গোলবার আগলেছেন এবং দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৬ সালের সাফ জয় এবং ২০১০ সালের এসএ গেমসে সোনা জয়ের অন্যতম কারিগর তিনি।
স্মরণীয় বিষয় হলো, খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে আমিনুলই প্রথম সরাসরি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন। এর আগে সাবেক ফুটবলার আরিফ খান জয় যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ছিলেন।