টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ইরফান পাঠান ভারতের বর্তমান টপ অর্ডার ব্যাটার তিলক বর্মার পারফরম্যান্সে কিছুটা হতাশ। তিলকের মেধা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও, বিশেষ করে আহমেদাবাদের মতো ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে তার ধীরগতির ব্যাটিং পাঠানের নজর কেড়েছে।
যেখানে খটকা লাগছে ইরফানের
চলমান বিশ্বকাপে তিলক চার ম্যাচেই তিন নম্বরে ব্যাটিং করেছেন, কিন্তু বড় কোনো ফিফটির দেখা পাননি। প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১৫৬ স্ট্রাইক রেটে রান করলেও পরের তিন ম্যাচেই তিনি ছিলেন বেশ মন্থর।
- পাকিস্তানের বিপক্ষে: স্পিন সহায়ক কঠিন উইকেটে ২৪ বলে ২৫ রান করাটা পাঠান মেনে নিয়েছেন।
- নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে: কিন্তু আহমেদাবাদের ব্যাটিং স্বর্গে ২৭ বলে ৩১ রানের ইনিংসটি কিছুতেই মানতে পারছেন না ইরফান। তার মতে, এমন পিচে তিলকের আরও মারকুটে হওয়া উচিত ছিল।
‘বাঁহাতি’ ফাঁদ ও কৌশলগত পরিবর্তনের দাবি
ইরফান পাঠান শুধু তিলকের স্ট্রাইক রেট নয়, বরং ভারতের টপ অর্ডারে পরপর তিনজন বাঁহাতি (অভিষেক শর্মা, ইশান কিষান ও তিলক বর্মা) থাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। তার পর্যবেক্ষণ হলো:
“পরপর তিনজন বাঁহাতি ব্যাটিং করায় প্রতিপক্ষ অধিনায়ক খুব সহজে অফ-স্পিনার দিয়ে ভারতকে চেপে ধরছে। পাকিস্তান বা নেদারল্যান্ডসের পার্ট-টাইম স্পিনাররা যেভাবে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করামও ঠিক একই কাজ করতে পারেন।”
পাঠানের দেওয়া সমাধান
সামনের কঠিন ম্যাচগুলোর জন্য ইরফান একটি বড় পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন:
- সূর্যকুমারকে তিনে আনা: বাঁহাতিদের আধিপত্য কমাতে সূর্যকুমার যাদবকে তিন নম্বরে নামানো হতে পারে।
- তিলককে চারে নামানো: তিলককে চারে নামিয়ে ব্যাটিং অর্ডারে বৈচিত্র্য (Left-Right combination) আনা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। সেই ম্যাচে টিম ম্যানেজমেন্ট ইরফানের এই ‘ট্যাকটিক্যাল’ পরামর্শ আমলে নেয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।