বিসিবি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয় বোর্ড সভায় বিভিন্ন বিভাগের কমিটি ও তাদের প্রধানদের নাম চূড়ান্ত করেছেন তামিম ইকবাল। তবে ক্রিকেট পরিচালনা (ক্রিকেট অপারেশনস) ও মিডিয়া বিভাগের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ আপাতত ফাঁকা রাখা হয়েছে। বিসিবি প্রধান নিজেই থাকছেন ওয়ার্কিং কমিটি ও ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের দায়িত্বে।
মঙ্গলবার দায়িত্ব গ্রহণের পর সৌজন্যমূলক প্রথম সভা হলেও বুধবারের দ্বিতীয় সভায় মূলত কাজের বণ্টন সম্পন্ন হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল জানান, কমিটির প্রধানদের নাম চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে তারা পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগটি ফাঁকা রাখার পেছনে বিশেষ কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।
তামিম বলেন, “আমাদের হাতে সময় খুব কম, মাত্র তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। ক্রিকেট অপারেশনসে যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তারা যথেষ্ট পেশাদার। এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিভাগ। এখন নতুন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে ইনপুট দিতে গেলে কাজের স্বাভাবিক গতিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আপাতত এখানে কাউকে নিয়োগ দেব না। যদি কোনো জরুরি সিদ্ধান্ত বা অনুসন্ধানের বিষয় আসে, তবে আমরা পুরো বোর্ড মিলে বসে তা ঠিক করব।”
ক্রিকেট অপারেশনস ও মিডিয়া বিভাগ ছাড়াও মেডিকেল, অডিট, নিরাপত্তা, সিসিডিএম, এইচপি এবং বাংলাদেশ টাইগার্স কমিটির প্রধান হিসেবে এখনো কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
এক নজরে কে কোন কমিটির দায়িত্বে:
- তামিম ইকবাল: ওয়ার্কিং কমিটি এবং ফ্যাসিলিটিজ।
- ফাহিম সিনহা: গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটি এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
- রফিকুল ইসলাম বাবু: গ্রাউন্ডস কমিটি।
- তানজিল চৌধুরী: বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কমিটি (বোর্ডের মুখপাত্র)।
- মির্জা সালমান ইস্পাহানী: মার্কেটিং এবং শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটি।
- রাশনা ইমাম: নারী বিভাগ, মেডিকেল এবং কমপ্লেইন কমিটি।
- ইসরাফিল খসরু: অর্থ এবং ওয়েলফেয়ার কমিটি।
- সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ: সিকিউরিটি এবং টেন্ডার ও পারচেজ কমিটি।
- মিনহাজুল আবেদীন নান্নু: টুর্নামেন্ট কমিটি।
- মির্জা ইয়াসির আব্বাস: লজিস্টিকস কমিটি।
- আতহার আলী খান: আম্পায়ার্স কমিটি।