চোট থেকে ফিরে মাঠে নামার পর প্রথমে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেননি লিওনেল মেসি। কিন্তু ইন্টার মায়ামিকে লিগস কাপের ফাইনালে তুলে জেতানোর পর আর্জেন্টাইন তারকা স্বীকার করলেন, শুরুতে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করেছিলেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধে মেসি অনেকটা ছায়ার মতো ছিলেন। তবে পরে জ্বলে উঠেন এবং জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছেন। ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে অরল্যান্ডো সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে মায়ামি নিশ্চিত করেছে ফাইনালের যোগ্যতা।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর ৭৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা টানেন মেসি। ৮৮তম মিনিটে জর্দি আলবারের পাস থেকে দক্ষতায় আরেকটি গোল করেন এবং দলের অগ্রগতি নিশ্চিত করেন। যোগ করা সময়ে দলের তৃতীয় গোলেও ভূমিকা রাখেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন দ’রের বিজয়ী।
এই মাসে পেশির চোটে বেশ ভুগেছেন মেসি। চোট কাটিয়ে তিন ম্যাচ পর মাঠে ফেরেন ১৭ আগস্ট, এলএ গ্যালাক্সির বিপক্ষে দলের ৩-১ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তবে একই চোটের কারণে পরের দুই ম্যাচে তাকে বাইরে থাকতে হয়। ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানান, তিনি নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত রেখেছিলেন অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে ম্যাচের জন্য।
“আমি এখানে থাকতে চেয়েছিলাম। এলএ গ্যালাক্সির বিপক্ষে ফিরার সময় কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করেছি এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিনি। তবে এই ম্যাচে খেলতে চেয়েছিলাম,” বলেন মেসি।
তিনি আরও যোগ করেন, “ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ অরল্যান্ডো সিটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। এই বছর পূর্বে আমাদের দুই ম্যাচে তাদের কাছে হারতে হয়েছিল। প্রথমার্ধে কিছুটা ভয়ে খেললেও পরবর্তী সময়ে স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে পেয়েছি।”
মেসির অনুপস্থিতিতে ১১ আগস্ট মায়ামি অরল্যান্ডো সিটির কাছে ৪-১ গোলে হেরেছিল।
লিগস কাপের ফাইনালে আগামী রোববার মায়ামি সিয়াটল সাউন্ডার্সের মুখোমুখি হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর ক্লাব নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে এটি মায়ামির দ্বিতীয় ফাইনাল। ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মায়ামি ২০২৪ সালে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছিল।