ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের দিক থেকেও চলতি মৌসুম ভিনিসিউস জুনিয়রের জন্য আনন্দের নয়। ক্লাবের সাফল্য যেমন ছিল সীমিত, তেমনি ব্যক্তিগতভাবে উন্নতির চ্যালেঞ্জও তার সামনে আছে।
মৌসুম শুরুটা যতটা আশার আলো দেখিয়েছিল, নভেম্বরের দিকে এসে যেন রেয়াল মাদ্রিদ পথ হারিয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে আট ম্যাচে জয় এসেছে মাত্র দু’টিতে, ঘরের মাঠে পর্যন্ত টানা দুই হারে হতাশার ছাপ পড়েছে। এই অধ্যায় পেছনে ফেলে নতুন বছরে দলকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন ভিনিসিউস জুনিয়র।
এক নজরে দেখলে, ২০২৫ সাল মাদ্রিদের জন্য মোটেই সুখকর ছিল না। ২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের পর, ২০২৪ সালে তারা উয়েফা সুপার কাপ ও ফিফা কন্টিনেন্টাল কাপ জেতেছে। কিন্তু ২০২৫-এ এসে প্রত্যাশানুযায়ী কোনো কিছুই হয়নি, ফলে ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি শিরোপা ছাড়াই বছর শেষ করতে যাচ্ছে। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের খেলার ছন্দপতনের কারণে লা লিগায় তারা বার্সেলোনার চেয়ে ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে দুটিতে হেরেছে রেয়াল।
ব্যক্তিগতভাবে, ২০২৪ সালের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কারজয়ী ভিনিসিউসের জন্যও সময়টা সহজ ছিল না। ক্লাবের হয়ে ২৪ ম্যাচে তিনি কেবল পাঁচবারই জালের দেখা পেয়েছেন, আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখনও গোলের খাত খুলতে পারেননি।
বড়দিনের ছুটি কাটিয়ে রেয়ালের খেলোয়াড়রা অনুশীলনে ফিরেছেন। মঙ্গলবার রেয়াল মাদ্রিদ টিভিকে সাক্ষাৎকারে ভিনিসিউস নতুন বছরে পেছনের ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে ঘুরে দাঁড়ানোর সংকল্প জানান।
“আমরা জানি আমাদের উন্নতি করতে হবে, যেন ২০২৬ সাল সবার জন্য ভালো হয়, বিশেষ করে রেয়াল মাদ্রিদ পরিবারের জন্য। এই ক্লাবে, এই সমর্থকদের সঙ্গে আমি সামনে আরও শিখতে চাই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা জানি এই বছর আমাদের জন্য ভালো কাটেনি; কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আমরা কোনো দ্বিধা রাখি না। আমরা আবার জিতব এবং শীর্ষে ফিরে আসব।”
বর্তমানে লা লিগায় ১৮ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে রেয়াল মাদ্রিদ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। পরের ম্যাচে তারা খেলবে আগামী রোববার রেয়াল বেতিসের বিপক্ষে।