গোলের অনেক সুযোগ হারিয়ে জয়রথ থেমে গেছে ম্যানচেস্টার সিটির, তবে ফেরার ম্যাচে রদ্রির পারফরম্যান্সে খুশি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা।
প্রত্যাশিত জয় হাতে আসেনি। থেমে গেছে জয়রথ। আক্ষেপ আছে অনেক সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায়। তবু শেষ পর্যন্ত রদ্রির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি অনেক বেশি পেপ গুয়ার্দিওলার। ফেরার ম্যাচে স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের খেলায় উচ্ছ্বসিত সিটি কোচ।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা আট ম্যাচ জিতে স্টেডিয়াম অব লাইটে গিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। লক্ষ্য ছিল সান্ডারল্যান্ডকে সহজে হারানো। কিন্তু পেরে ওঠেনি গুয়ার্দিওলার দল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি বৃহস্পতিবার গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয়েছে।
চলতি লিগে ঘরের মাঠে ১০ ম্যাচে এখনও হারেনি সান্ডারল্যান্ড।
ম্যাচের প্রথমার্ধে সিটি তাদের সেরাটা দেখাতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে চোট পাওয়া নিকো গন্সালেসের বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয় রদ্রিকে। দীর্ঘ পুনর্বাসনের পর ২০২৪ সালের ব্যালন দ’ জয়ী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার অবশেষে ফিরলেন মাঠে।
রদ্রি নামার পর সিটির খেলা গোছানো হয়ে ওঠে, আক্রমণের ধার বেড়ে যায়। গোল পাওয়া সম্ভব হয়নি, তবে মাঝমাঠের ভরসা ফিরে পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন গুয়ার্দিওলা।
“রদ্রি নেমে খেলাটা বদলে দিয়েছে। ৪৫ মিনিটেই রদ্রি প্রমাণ করেছে, তার এই পজিশনে সে সেরা। ফুটবল মানেই ফুটবলাররা… শুরুতে আক্রমণ গড়ে তুলতে ভুগছিলাম আমরা। রদ্রি নামার পর কম ভুগেছি,” বললেন কোচ।
“সে নামার পর আমাদের বিচরণ ভালো হয়েছে, লাইনগুলো সে ভাঙতে পেরেছে। তাকে ছাড়া দেড় বছর ভুগেছি আমরা, তার অভাব অনুভব করেছি। আশা করি, সে ফিট থাকতে পারবে, কারণ সে থাকা মানেই আমাদের দল আরও ভালো হয়ে ওঠা।”
ম্যাচের ৬৭ শতাংশ সময় বল ছিল সিটির কাছে। ৯০ শতাংশ পাস সঠিক হলেও আসল কাজটি করতে পারেনি দল। ১৪টি শটের মধ্যে চারটি লক্ষ্যভেদ হয়েছে, কিন্তু কোনোটিই জালে যায়নি।
সুযোগ হারানোর আক্ষেপ থাকলেও প্রতিপক্ষের কৃতিত্ব দিতেও ভুললেন না গুয়ার্দিওলা। “এখানে এসে খেলাটা সহজ নয়। ছয় গজ বক্সে অনেক সুযোগ হারিয়েছি…, কিছু সুযোগও সহজ ছিল না, তবে কাজে লাগাতে পারিনি। প্রথমার্ধে আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারিনি। সব মিলিয়ে দারুণ একটি দলের বিপক্ষে দুর্দান্ত ম্যাচ ছিল। কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্সে আমি গর্বিত। ছেলেরা কিছুটা হতাশ, তবে মাথা উঁচু রাখতেই হবে। তিন দিন পর চেলসির বিপক্ষে আরেকটি কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।”
এই ড্রয়ের পর পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সংগ্রহ ১৯ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে শীর্ষে আছে আর্সেনাল, ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে।