যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) প্রথমবার এসে দুটি স্টেডিয়াম পুরোপুরি ফুটবলের জন্য দেওয়ার পাশাপাশি নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
উপদেষ্টা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার বাফুফে এসেছেন আসিফ নজরুল। ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সিলেট ও চট্টগ্রামের স্টেডিয়াম সম্পূর্ণভাবে ফুটবল ব্যবহারের জন্য দেওয়া হবে।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আসিফ নজরুল ফুটবলের সাম্প্রতিক সাফল্য, বিশেষ করে ভারতকে হারানো এবং কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন।
বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ‘ডেডিকেটেড’ ফুটবল স্টেডিয়াম। দেশে ফিফা টাইয়ার-১ ক্যাটাগরির মূলত দুটি স্টেডিয়াম আছে—বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা ও জাতীয় স্টেডিয়াম। তবে জাতীয় স্টেডিয়ামে ফুটবল ছাড়া আর্চারি, অ্যাথলেটিক্সসহ অন্যান্য খেলাধুলাও অনুষ্ঠিত হয়। অনেক দিন ধরে ফুটবলের জন্য আরও স্টেডিয়ামের দাবি করা হচ্ছিল, সেটিও এবার কিছুটা পূরণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।
তিনি বলেন,
“আজকে আমার কাছে তাদের কিছু দাবি-দাওয়া ছিল। আমি খুব অল্প দিনের জন্য আছি, কিন্তু তারপরও মনে হয়েছে কিছু বিষয়ে আমরা তাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছি। একটি হচ্ছে ঢাকা স্টেডিয়াম, এটা পুরোপুরি ফুটবল ব্যবহারের জন্য দেওয়া হবে। তবে অন্যান্য খেলাধুলার আয়োজনের প্রয়োজন হলে, ক্রিকেট ছাড়া অন্য কোথাও আয়োজন করা যাবে। উদাহরণস্বরূপ পূর্বাচল স্টেডিয়াম বা অন্য কোনো জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে খেলা হবে।”
তিনি আরও জানান,
“সিলেট ও চট্টগ্রামের স্টেডিয়ামও ডেডিকেটেডভাবে ফুটবল ব্যবহারের জন্য দেওয়া হবে। শর্ত হলো, ক্রিকেট ছাড়া অন্য খেলাধুলার টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রয়োজন হলে তাতে আয়োজন করতে পারবে।”
কমলাপুর স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে শুধু মাঠ নয়, গ্যালারি ও ডরমেটরির রক্ষণাবেক্ষণও বাফুফের দায়িত্বে থাকবে।
“কমলাপুর স্টেডিয়ামের মাঠের দায়িত্ব পূর্বে ফুটবলকে দেওয়া হয়েছিল। এখন গ্যালারি ও ডরমেটরির রক্ষণাবেক্ষণও ফুটবল ফেডারেশনের হাতে দেওয়া হয়েছে। তবে অ্যালোকেশন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে দেওয়া হবে।”