BN

বিশ্বকাপের আগে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তায় টিম বাংলাদেশ

বিশ্বকাপের আগে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তায় টিম বাংলাদেশ

মাত্র ১৬ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রানেই থমকে যাওয়া—মিরপুরের

মাত্র ১৬ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রানেই থমকে যাওয়া—মিরপুরের উইকেটে এমন ব্যাটিং বিপর্যয় দেখে খোদ অধিনায়ক লিটন দাসের কণ্ঠেও যেন আক্ষেপের সুর। বৃষ্টির শঙ্কা উড়িয়ে ম্যাচ মাঠে গড়ালেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংসের শেষটা ছিল রীতিমতো হতাশাজনক। বোলিংয়ে দারুণ শুরু করে নিউজিল্যান্ডের ৩৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেও শেষ পর্যন্ত জয় ধরা দেয়নি।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের কথায় ঝরল সেই পুরনো আক্ষেপ। সিরিজের শুরুতেই তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা দলের বিপদে ত্রাতা হয়ে উঠবেন। কিন্তু শনিবারের ম্যাচে যখন সত্যিই তাঁদের প্রয়োজন ছিল, তখনই তাঁরা মুখ থুবড়ে পড়লেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী এই টি-টোয়েন্টিতে টপ অর্ডারও ছিল নড়বড়ে। প্রথম পাঁচ ওভারেই ৩ উইকেট নেই। এরপর লিটন আর হৃদয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল দল। সপ্তম ওভারে বৃষ্টি হানা দিলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে ১৫ ওভারে নেমে আসে। বিরতির পর এই জুটি কিছুটা এগোলেও দ্বাদশ ওভার থেকেই শুরু হয় ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল। এক পর্যায়ে স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ৮৬ রান। সেখান থেকে অন্তত ৪০ রানের প্রত্যাশা থাকলেও মাত্র ১৬ রান যোগ করতেই বাকি ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

অধিনায়ক লিটন তাঁর হতাশামাখা কণ্ঠে বলেন, “ব্যাটিংয়ে যদি স্কোরবোর্ডে আরও কিছু রান থাকত, তবে ম্যাচের চিত্রটা অন্যরকম হতে পারত। আমি শুরুতেই বলেছিলাম লোয়ার অর্ডারের দায়িত্বের কথা, আমরা চেয়েছিলাম তারা ব্যাটিংয়ে কিছুটা কন্ট্রিবিউট করবে। আজ সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা আবারও ব্যর্থ হয়েছে।”

লিটন বিশেষভাবে শেখ মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেনের মতো স্পিনিং অলরাউন্ডারদের কাছ থেকে রানের প্রত্যাশা করেছিলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, আধুনিক ক্রিকেটে স্পিনারদেরও ব্যাটিং পারঙ্গমতা থাকা জরুরি। লিটন আক্ষেপ করে বলেন, “শেখ মেহেদী ব্যাটিং জানে, কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেই পারফরম্যান্সটা আমাদের খুব দরকার। রিশাদের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। এমনকি সাইফ উদ্দিন বা তানজিম সাকিবের মতো অলরাউন্ডারদের কাছ থেকেও আমরা ব্যাটিং আশা করি।”

লোয়ার অর্ডারের এই ব্যাটিং সমস্যার সমাধান নিয়ে কিছুটা অসহায়ত্বও ফুটে ওঠে লিটনের কণ্ঠে। তিনি বলেন, “টি-টোয়েন্টিতে ৫ জন বোলারের বিকল্প নেই। যদি ৯ জন ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলি, তবে বোলার কমে যাবে। অনুশীলনে ব্যাটিং কোচরা তাদের নিয়ে কাজ করছেন, কিন্তু নেটের ব্যাটিং আর ম্যাচের চাপের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য থাকে। আশা করছি বিশ্বকাপের আগে তারা এই আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে।”

সর্বশেষ সংবাদ

বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উৎসব সেরে ফেলার পর এবার প্রথম

ঘরের মাঠে লরিয়ঁকে সামনে পেয়েও জয় তুলে নিতে পারল

শিরোপা লড়াইয়ের ভাগ্য এখন আর নিজেদের হাতে নেই, তবুও

ফুটবল

বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উৎসব সেরে ফেলার পর এবার প্রথম হোঁচট

ফুটবল

ঘরের মাঠে লরিয়ঁকে সামনে পেয়েও জয় তুলে নিতে পারল না

ফুটবল

শিরোপা লড়াইয়ের ভাগ্য এখন আর নিজেদের হাতে নেই, তবুও হাল

ক্রিকেট

অতীতের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে এখন সামনের দিকে তাকাতে চান বাংলাদেশের