বার্তা সংস্থা এএফপির আগে জানানো হয়েছিল, যদি বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলে, তাদের জায়গায় সুযোগ পাবেন সবচেয়ে বেশি র্যাঙ্কিংধারী দল স্কটল্যান্ড। কিন্তু বিবিসি জানিয়েছে, এ বিষয়ে আইসিসি এখনো ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। তবুও ডাক পেলে স্কটল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা খেলতে প্রস্তুত।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ জানিয়েছিল, তারা ভারতে খেলবে না এবং নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে চাইছে। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে ঢাকায় আইসিসির সঙ্গে বৈঠক করেছে বিসিবি, তবে কোনো সমাধান হয়নি।
আইসিসি আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করলেও, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইসিসি বিসিবিকে সিদ্ধান্ত জানাতে বুধবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু বিসিবি জানিয়েছে, আইসিসি কখনও এমন সময়সীমা দেয়নি।
যদি বাংলাদেশ অংশ না নিলে, সবচেয়ে বেশি র্যাঙ্কিংধারী দল স্কটল্যান্ড সুযোগ পাবে। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে তারা বর্তমানে ১৪তম। তবে বিবিসি স্পোর্টকে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে আইসিসি স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। স্কটল্যান্ডের খেলোয়াড়রা বর্তমানে অনুশীলনে ব্যস্ত। মার্চে উইন্ডহকে তারা নামিবিয়া ও ওমানের বিপক্ষে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে।
বিবিসি আইসিসির কাছে জানতে চেয়েছিল, যদি কোনো দল টুর্নামেন্ট থেকে সরে যায় বা বহিষ্কার হয়, তখন তার জায়গায় অন্য দল নেওয়ার মানদণ্ড কী। ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে রাজনৈতিক কারণে সরে দাঁড়িয়েছিল জিম্বাবুয়ে, তখন তাদের জায়গায় খেলেছিল স্কটল্যান্ড। কিন্তু ২০২৪ সালের থেকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০ দলের হয়ে যাচ্ছে এবং বাছাইপদ্ধতি আঞ্চলিক ভিত্তিতে নির্ধারিত। তাই আইসিসি সম্ভবত স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেবে।