BN

পাঁচ বিশ্বকাপের গল্পে প্রথম ম্যাচের অপেক্ষা ডসনের

পাঁচ বিশ্বকাপের গল্পে প্রথম ম্যাচের অপেক্ষা ডসনের

৩৬ ছুঁইছুঁই বয়সে প্রথমবার বিশ্বকাপের মাঠে নামার স্বপ্ন দেখছেন ইংল্যান্ডের স্পিনিং অলরাউন্ডার

৩৬ ছুঁইছুঁই বয়সে প্রথমবার বিশ্বকাপের মাঠে নামার স্বপ্ন দেখছেন ইংল্যান্ডের স্পিনিং অলরাউন্ডার লিয়াম ডসন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার কি মিলবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁর মনে।

চারটি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে থাকলেও একবারও মাঠে নামার সুযোগ পাননি ডসন। ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক শিরোপা জয়—সবকিছুর অংশ ছিলেন তিনি, কিন্তু ম্যাচ খেলতে পারেননি। ২০২১ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মূল দলে না থাকলেও সফরসঙ্গী রিজার্ভ হিসেবে ছিলেন দলের সঙ্গে। এবার অবশ্য ১৫ জনের মূল স্কোয়াডেই জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা সফরে আছেন ডসন। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ভালো বোলিং করেছেন তিনি। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষে খেলবেন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। তবে সবকিছুর কেন্দ্রেই রয়েছে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

ডসন বলেন, “বয়স যত বাড়ে, দলে থাকার সম্ভাবনাও তত কমে আসে। অনেক সময় কিছুই আশা করা যায় না। আমার বয়স এখন প্রায় ৩৬, এই বয়সে দলে থাকতে পারাটাই দারুণ ব্যাপার। যদি বিশ্বকাপে আমাকে মাঠে নামার সুযোগ দেওয়া হয়, সেটাই হবে সবচেয়ে বিশেষ মুহূর্ত।”

ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত চারটি টেস্ট, আটটি ওয়ানডে ও ২১টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ডসন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে প্রায় তিন বছর পর গত জুনে জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি। এরপর তিন সংস্করণেই ইংল্যান্ডের জার্সিতে মাঠে নেমেছেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

সর্বশেষ সংবাদ

পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে দলকে রেকর্ডপুঁজি গড়ার ভিত্তি গড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও ভেঙে পড়েনি ভারত।

ইশান কিষানের আগুনঝরা ব্যাটিং আর পেস-স্পিনের দুর্দান্ত যৌথ আক্রমণে

ক্রিকেট

পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে দলকে রেকর্ডপুঁজি গড়ার ভিত্তি গড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার

ক্রিকেট

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও ভেঙে পড়েনি ভারত। সেই

ক্রিকেট

ইশান কিষানের আগুনঝরা ব্যাটিং আর পেস-স্পিনের দুর্দান্ত যৌথ আক্রমণে আরেকবার

ক্রিকেট

নেপালকে হারানোর পথে বল হাতে আলো ছড়িয়ে অনন্য দুটি কীর্তি