১৯ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি রায়ানের আনন্দ যেন আর বাঁধ মানছে না। প্রথমবারের মতো সেলেসাওদের হলুদ জার্সি গায়ে জড়ানোর সুযোগ পেয়ে স্বপ্ন জয়ের উচ্ছ্বাসে ভাসছেন এই উদীয়মান তারকা।
শৈশবের স্বপ্ন পূরণ
ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পাওয়া যেকোনো ফুটবলারের জন্যই পরম আরাধ্য। ১৯ বছর বয়সী রায়ানের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শেষ ধাপে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাকে দলে ডেকেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। রায়ান বলেন, “আমি ভীষণ আনন্দিত। এটা শুধু আমার নয়, আমার পরিবার ও স্ত্রীরও স্বপ্ন ছিল। অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে ২০—সব ধাপ পেরিয়ে আজ জাতীয় দলে আসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
মাঠের লড়াই ও বর্তমান অবস্থান
মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগ—উভয় পজিশনেই সমান পারদর্শী রায়ান বর্তমানে খেলছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বোর্নমাউথে। ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে যাওয়া ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও, আগামী বুধবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তাকে খেলানো হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ভাস্কো দা গামা ও বাবার উত্তরাধিকার
রায়ান উঠে এসেছেন ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ভাস্কো দা গামা থেকে। মজার ব্যাপার হলো, তার বাবা ভাল্কমারও একসময় এই ক্লাবের হয়ে রক্ষণভাগ সামলেছেন এবং জিতেছেন একাধিক শিরোপা। এখন বাবার স্বপ্ন—ছেলেকে ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠ মাতাতে দেখা।
কৌতিনিয়োর চোখে ‘বিরল রত্ন’
২০২৪ সালে যখন ফিলিপে কৌতিনিয়ো ভাস্কোতে ফেরেন, তখন রায়ানের প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। গত মৌসুমে ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে ডার্বি জয়ের পর কৌতিনিয়ো রায়ানের প্রশংসা করে বলেছিলেন, “সে আমাদের ক্লাবের রত্ন। ছেলেটা যেমন পরিশ্রমী, তেমনি বিনয়ী। আমি নিশ্চিত ওর ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।”