নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে টাইগারদের ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গী কে হবেন—সাইফ হাসান নাকি সৌম্য সরকার? এই প্রশ্নটি এখন ক্রিকেট পাড়ায় বেশ আলোচিত। তবে মিরপুরে বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে কোচ ফিল সিমন্সের কথা থেকে পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলল যে, অভিজ্ঞ সৌম্যকে ছাপিয়ে সাইফের ওপরই আপাতত আস্থা রাখছে দল।
গত পাকিস্তান সিরিজে তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান জুটিই ইনিংস শুরু করেছিল। তানজিদ নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে দলের প্রথম পছন্দের ওপেনার হিসেবে জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন। তবে সাইফ প্রথম দুই ম্যাচে ব্যর্থ হলেও শেষ ম্যাচে ৩৬ রান করেছিলেন। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ সৌম্য সরকার গত ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ৪৫ ও ৯১ রানের দারুণ দুটি ইনিংস খেলেও পাকিস্তান সিরিজে সাইফের কারণে একাদশে সুযোগ পাননি।
অনেকেই ধারণা করেছিলেন, পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় এবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সৌম্যর ফেরার পথ সহজ হবে। কিন্তু কোচ ফিল সিমন্স ভিন্ন কিছুর আভাস দিলেন। তিনি জানালেন, ওপেনিং জুটি নিয়ে দল আপাতত স্থিতিশীল থাকার পক্ষেই। কোচের ভাষায়, “আমার মনে হয়, এই জায়গাটা অনেকটাই থিতু হয়ে গেছে। গত ম্যাচে তারা ভালো একটি জুটি গড়েছিল। আর প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করে সাইফ বুঝিয়ে দিয়েছে, আমরা তাকে যে রূপে দেখতে চাই, সেদিকেই সে এগোচ্ছে।”
সিমন্স যে জুটির কথা বলেছেন, সেখানে সাইফের চেয়ে তানজিদের অবদানই ছিল বেশি। তবে গত সোমবার নিজেদের মধ্যকার প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করে সাইফ কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই ম্যাচে ফিফটি করেছেন সৌম্য সরকারও। অভিজ্ঞতায় অনেক এগিয়ে থাকলেও সাইফ-তানজিদদের ধারাবাহিকতার কারণে আপাতত বেঞ্চেই বসে থাকতে হচ্ছে তাকে।
সৌম্যর প্রতি কিছুটা সমবেদনা জানিয়ে সিমন্স বলেন, “সৌম্য দারুণ ব্যাটসম্যান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও সে ভালো খেলেছিল। তবে সেই সিরিজের পর বিপিএল বা পরবর্তী সময়ে সে খুব একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অন্যরা এই সময়ে ভালো খেলে ফেলায় আমাদের একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। নিজের জায়গা ফিরে পেতে তাকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”