বছরখানেক আগেও তারা ছিলেন ড্রেসিংরুমের সতীর্থ। গত বছরের মার্চে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে শেষবার মাঠেও নেমেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই চেনা মুখটিই এখন দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অভিভাবক। বোর্ড সভাপতি হিসেবে তামিম ইকবালকে পাওয়ায় ক্রিকেটারদের জন্য বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা হবে বলেই মনে করছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ।
গত ৭ এপ্রিল এক নাটকীয় পালাবদলের মধ্য দিয়ে বিসিবির দায়িত্ব নেন তামিম। ওই সময় নিউজিল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে মিরপুরে প্রস্তুতি ক্যাম্পে ব্যস্ত ছিল দল। রদবদলের পর নতুন সভাপতি হিসেবে ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করেছেন তামিম। সিরিজের আগে বোর্ডের শীর্ষ পদে এমন বড় পরিবর্তনে ক্রিকেটারদের মনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না—এমন প্রশ্নে কোচ ফিল সিমন্স বল ঠেলে দিয়েছিলেন ক্রিকেটারদের দিকেই।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন অধিনায়ক মিরাজ। তিনি জানালেন, বাইরের এই রদবদল নিয়ে তারা মোটেও চিন্তিত ছিলেন না। মিরাজের ভাষ্যমতে, “আমরা গত তিন সপ্তাহ ধরে খুবই ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে মাঠের বাইরে কী হচ্ছে, তা আমাদের খেলায় প্রভাব ফেলে না। আমাদের কাজ হলো পারফর্ম করা, তাই আমরা শুধু নিজেদের অনুশীলনেই মনোযোগ দিয়েছি।”
মিরাজ আরও জানান, ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করে সবাইকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করেছেন নতুন সভাপতি। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট আমাদের সাথে কথা বলেছেন। দল যে ভালো ছন্দে আছে, সেটা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি আমাদের উজ্জীবিত করেছেন। আমাদের যেভাবে খেলা উচিত, সেভাবেই ভালো ক্রিকেট খেলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।”
খুব বেশিদিন হয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়েছেন তামিম, এমনকি ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত ছিলেন কিছুদিন আগ পর্যন্ত। বর্তমান ক্রিকেটের ভেতরের পরিবেশ ও ক্রিকেটারদের চাহিদা সম্পর্কে তামিম ওয়াকিবহাল বলেই তাকে সভাপতির পদে পাওয়া ইতিবাচক মনে করছেন মিরাজ। তিনি যোগ করেন, “যেহেতু আমরা একসাথে অনেক ক্রিকেট খেলেছি, তাই আমাদের সুযোগ-সুবিধা বা চাহিদা সম্পর্কে তিনি খুব ভালো জানেন। ক্রিকেটারদের জন্য এটি একটি বড় পাওয়া।”