BN

সাহিবজাদার শতক ও রেকর্ড জুটি, তবুও আক্ষেপে পুড়ছে দল

সাহিবজাদার শতক ও রেকর্ড জুটি, তবুও আক্ষেপে পুড়ছে দল

ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা, আর পাকিস্তান দল সেই অনিশ্চয়তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। সাহিবজাদা

ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা, আর পাকিস্তান দল সেই অনিশ্চয়তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। সাহিবজাদা ফারহানের অবিশ্বাস্য এক সেঞ্চুরি আর ফাখার জামানের সঙ্গে রেকর্ড জুটির পরও দিনশেষে পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমে শুধুই বিষাদ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ রানে জিতলেও রান রেটের মারপ্যাঁচে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো বাবর-রিজওয়ানদের উত্তরসূরিদের।

সাহিবজাদার ইতিহাস ও ফাখারের ঝড়

পাল্লেকেল্লেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই পাক ওপেনার। পাওয়ার প্লে-তেই স্কোরবোর্ডে ওঠে ৬৪ রান। সাহিবজাদা ফারহান এদিন যেন ইতিহাস লিখতেই নেমেছিলেন। প্রথম ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি সেঞ্চুরির অনন্য রেকর্ড গড়েন তিনি। শুধু তাই নয়, কোহলির ৩১৯ রানের রেকর্ড ভেঙে এক আসরে সর্বোচ্চ ৩৮৩ রানের মালিকও এখন তিনি।

উদ্বোধনী জুটিতে ফাখার জামানকে নিয়ে তিনি গড়েন ১৭৬ রানের বিশাল এক রেকর্ড। ফাখার ৮৪ রানে ফিরলে শুরু হয় পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস। তবে বিদায়ের আগে ৬০ বলে ১০০ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেন সাহিবজাদা। পাকিস্তান পায় ২১২ রানের পাহাড়সম পুঁজি।

শানাকা-রাত্নায়েকের পাল্টা আক্রমণ ও স্বপ্নভঙ্গ

নিউজিল্যান্ডকে টপকে সেমিতে যেতে হলে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের মধ্যে আটকাতে হতো পাকিস্তানকে। এক পর্যায়ে ৯৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা চাপে পড়লে পাকিস্তানের আশা জেগেছিল। কিন্তু পাভান রাত্নায়েকে (৫৮) এবং অধিনায়ক দাসুন শানাকার পাল্টা আক্রমণে সব হিসাব ওলটপালট হয়ে যায়। ১৬তম ওভারেই যখন শ্রীলঙ্কা ১৪৭ রান পার করে ফেলে, তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় পাকিস্তানের বিদায়।

শেষ ওভারের রোমাঞ্চ

ম্যাচটি পাকিস্তানের হাতের মুঠোয় থাকলেও শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ২৮ রান। শাহিন আফ্রিদির ওপর টর্নেডো চালান শানাকা। প্রথম চার বলে এক চার ও টানা তিন ছক্কায় তুলে নেন ২২ রান। শেষ ২ বলে দরকার ছিল ৬, কিন্তু স্নায়ুচাপে শেষ রক্ষা করতে পারেননি শানাকা। ৩১ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • পাকিস্তান: ২১২/৮ (২০ ওভার) – সাহিবজাদা ১০০, ফাখার ৮৪; মাদুশাঙ্কা ৩/৩৩।
  • শ্রীলঙ্কা: ২০৭/৬ (২০ ওভার) – শানাকা ৭৬*, রাত্নায়েকে ৫৮; আবরার ৩/২৩।

ফল: পাকিস্তান ৫ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরা: সাহিবজাদা ফারহান।

সর্বশেষ সংবাদ

মাঠজুড়ে কেবল একজনেরই দাপট—লামিন ইয়ামাল। এই তরুণ তুর্কির ক্যারিয়ারের

মাঠের পারফরম্যান্সে খুব একটা ধার ছিল না, প্রথমার্ধের অনেকটা

প্রিমিয়ার লিগে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে আর্না স্লটের লিভারপুল। অবনমন

ফুটবল

মাঠজুড়ে কেবল একজনেরই দাপট—লামিন ইয়ামাল। এই তরুণ তুর্কির ক্যারিয়ারের প্রথম

ফুটবল

মাঠের পারফরম্যান্সে খুব একটা ধার ছিল না, প্রথমার্ধের অনেকটা সময়

ফুটবল

প্রিমিয়ার লিগে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে আর্না স্লটের লিভারপুল। অবনমন অঞ্চলের

ক্রিকেট

মাঠের লড়াই তখনও শেষ হয়নি, কিন্তু ড্রেসিংরুমে ততক্ষণে নেমে এসেছে