বিশ্বকাপের উন্মাদনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই বাংলাদেশের ক্রিকেটে বইছে ভিন্ন হাওয়া। দীর্ঘ ১১ বছর পর টাইগারদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে ঢাকায় পা রেখেছে পাকিস্তান জাতীয় দল। অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে আজ ভোরে তারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এর আগেই শনিবার দলের কোচ মাইক হেসনসহ সাপোর্ট স্টাফরা ঢাকায় পৌঁছে গিয়েছিলেন।
কেন এই সিরিজটি বিশেষ?
পাকিস্তান দল ২০২১ এবং গত বছরও বাংলাদেশ সফর করেছে, তবে সেসব ছিল টি-টোয়েন্টি ও টেস্টের জন্য। সবশেষ ২০১৫ সালে তারা যখন বাংলাদেশে ওয়ানডে খেলেছিল, তখন ৩-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক এক সিরিজ জয় পেয়েছিল টাইগাররা। সেই ১১ বছর আগের স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়ার সুযোগ এবার আবার এসেছে।
সিরিজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ফরম্যাট: এবারের সফরে শুধু ৩টি ওয়ানডে ম্যাচ হবে।
- পরিবর্তিত সূচি: পিসিএল-এর সূচির কারণে টি-টোয়েন্টি সিরিজটি বাতিল করা হয়েছে। আগামী মে মাসে তারা আবার টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসবে।
- ভেন্যু: সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে।
- ম্যাচের দিন: আগামী বুধবার, শুক্রবার ও রবিবার।
পরিসংখ্যান ও বর্তমান পরিস্থিতি
মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে পাকিস্তান অনেক এগিয়ে থাকলেও, ঘরের মাঠে বাংলাদেশ এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। ৩৯টি ওয়ানডের মধ্যে পাকিস্তান জিতেছে ৩৪টিতে, আর বাংলাদেশের জয় ৫টিতে। তবে ২০১৫-র সেই ‘হোয়াইটওয়াশ’ জয়ের আত্মবিশ্বাস মিরাজদের বড় অনুপ্রেরণা।
বাংলাদেশ ওয়ানডে স্কোয়াড
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
পাকিস্তান ওয়ানডে স্কোয়াড
শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), আব্দুল সামান, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফায়সাল আকরাম, হারিস রউফ, হুসাইন তালাত, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মাদ রিজওয়ান, মোহাম্মাদ ওয়াসিম, মুহাম্মাদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলি আগা, শামিল হুসাইন।