বিসিবি নির্বাচনে সরকারের হস্তক্ষেপ ও নোংরামির অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম ইকবাল। এবার সেই নির্বাচনকে অবৈধ দাবি করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে ৫০টি ক্লাব। তামিম ইকবালের মতে ৭৬টি ক্লাবের মধ্যে ৫০টিই এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যা অনেক বড় একটি বিষয়। আবাহনী ও মোহামেডানের মতো বড় ক্লাবগুলোও এই দাবিতে একমত হয়েছে।
মাঠের ক্রিকেট নিয়ে অনিশ্চয়তা
তামিম ইকবাল সংবাদমাধ্যমকে জানান যে সঠিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত হওয়া প্রয়োজন কারণ দেশের ক্রিকেটে এখন এক ধরনের স্থবিরতা চলছে। ঢাকা লিগসহ প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের খেলাগুলো ঠিকঠাক হচ্ছে না যার ফলে শত শত ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ক্রিকেট বোর্ডকে অবশ্যই জবাব দিতে হবে যে কেন খেলাগুলো মাঠে গড়াচ্ছে না।
সংগঠকদের বক্তব্য ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া
মোহামেডান ক্লাবের পরিচালক মাসুদুজ্জামান জানান যে ১৭-১৮ বছর পর দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে তাই কথা বলার এটাই উপযুক্ত সময়। তারা চান একটি স্বাধীন তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হোক। অন্যদিকে সাবেক বিসিবি পরিচালক ফাহিম সিনহা বলেন যে তদন্ত শুরু হলে তারা পর্দার আড়ালের সব সত্য সামনে নিয়ে আসবেন।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় তামিম বলেছিলেন যে বিসিবির ইতিহাসে এমন নোংরামি আগে কখনো দেখা যায়নি। অন্য সংগঠকরাও অভিযোগ করেছেন যে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হস্তক্ষেপে নির্বাচনের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ ছিল না। এই অনিয়মের প্রতিবাদে গত পাঁচ মাস ধরে ঢাকার প্রায় ৪৫টি ক্লাব সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে আছে।