বোর্ড সভা শেষ করেই সোজা মাঠে নেমে পড়লেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। সঙ্গী হিসেবে ছিলেন অ্যাডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের পূর্ব গ্যালারির ম্যানুয়াল স্কোরবোর্ডের পাশে তখন বেশ তোড়জোড় চলছে, সরানো হচ্ছে গ্যালারির চেয়ার। একটু পরেই তামিম পরিষ্কার করলেন কারণটা—সাবেক জাতীয় ক্রিকেটারদের সম্মানে সেখানে তৈরি হচ্ছে এক রাজকীয় ও বিশেষ লাউঞ্জ।
সম্প্রতি সাবেক অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ প্রবর্তন করার পর সাবেক অনেক ক্রিকেটারই নিজেদের অবহেলার কথা তুলেছিলেন। সেই অভিমান মেটাতেই এবার বড় উদ্যোগ নিলেন তামিম। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, দেশের হয়ে খেলা ১৭০-১৮০ জন ক্রিকেটারের জন্য এই লাউঞ্জটি হবে তাদের নিজেদের ‘ঘর’।
তামিমের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্যালারির সামনের অংশ সংস্কার করে সেখানে তৈরি করা হবে নান্দনিক ব্যালকনি, যেখানে বসে চা-কফি খেতে খেতে খেলা উপভোগ করা যাবে। ভেতরে ২৫০ থেকে ৩০০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকবে এবং ক্রিকেটারদের সংগঠন ‘কোয়াব’-এর নিজস্ব অফিসও থাকবে সেখানেই। তামিম বলেন, “এটি জাতীয় ক্রিকেটারদের হোম, তাদের বসার তো একটা জায়গা থাকতে হবে। কার্ডধারী ক্রিকেটাররা ছাড়া এখানে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। অনেকে নাখোশ ছিলেন, কিন্তু আমি তো মাত্র ২০-২২ দিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি। কাজগুলো করতে আমাকে একটু সময় দিতে হবে।”
শুধু লাউঞ্জ নয়, খ্যাতিমান ক্রিকেটারদের নামে গ্যালারির নামকরণের দীর্ঘদিনের দাবি নিয়েও কথা বলেন বিসিবি সভাপতি। তিনি মনে করেন, পরিসংখ্যান যা-ই হোক, দেশের ক্রিকেটে অবদান রাখা সবারই সম্মান পাওয়া উচিত। তবে কাদের নামে নামকরণ হবে, সেই মানদণ্ড নির্ধারণে বেশ সতর্ক থাকতে চান তিনি। অ্যাডহক কমিটির এই স্বল্প মেয়াদে বড় কোনো নাম ঘোষণা না করলেও, আগামী মাসের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ফিরলে এই কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশের এই সফলতম ওপেনার।