চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের টিকেট পেতে পিএসজিকে পাড়ি দিতে হয়েছে এক দুর্গম পথ। তবে লুইস এনরিকে মনে করেন, এই কঠিন পথই তার দলকে আগামীর বড় লড়াইগুলোর জন্য আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। সামনে বার্সেলোনা বা চেলসির মতো প্রতিপক্ষ থাকলেও এনরিকে এখন আত্মবিশ্বাসী।
কঠিন সূচি ও প্লে-অফের লড়াই
পিএসজি কোচ স্পষ্ট করেই বলেছেন, এবারের আসরে তাদের মতো কঠিন সূচি আর কোনো দল পায়নি। প্রাথমিক পর্বে তারা যাদের বিপক্ষে খেলেছে, তাদের আটটির মধ্যে সাতটি দলই নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে। বায়ার্ন মিউনিখ, বার্সেলোনা কিংবা টটেনহ্যামের মতো জায়ান্টদের মোকাবিলা করে আসতে হয়েছে তাদের।
প্লে-অফেও স্বস্তিতে ছিল না দল। মোনাকোর বিপক্ষে প্রথম লেগে ২-০ তে পিছিয়ে পড়েও ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় তারা। ফিরতি লেগেও নাটকীয়তা কম ছিল না। বুধবার রাতে ঘরের মাঠে পিছিয়ে পড়ার পর মার্কিনিয়োস ও কাভারাৎস্খেলিয়ার গোলে লিড নিলেও শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ২-২ সমতায় ম্যাচ শেষ করে প্যারিসের দলটি।
পারফরম্যান্সে ঘাটতি থাকলেও সন্তুষ্ট এনরিকে
ম্যাচ শেষে এনরিকে অকপটেই স্বীকার করেছেন, দলের সব কিছু তার পছন্দ হয়নি। বিশেষ করে প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সে অনেক ঘাটতি ছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দলের নিয়ন্ত্রণ ও গোল করার ক্ষমতায় তিনি খুশি। তিনি বলেন:
“চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে হলে এমন কঠিন পথই পাড়ি দিতে হবে। আমরা জানি কীভাবে এই চ্যালেঞ্জগুলো জিতে এগিয়ে যেতে হয়।”
পরবর্তী গন্তব্য ও এনরিকের রসিকতা
শুক্রবার ড্রয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে শেষ ষোলোতে পিএসজির প্রতিপক্ষ কে—বার্সেলোনা নাকি চেলসি। প্রতিপক্ষ যেই হোক, এনরিকে এখন নির্ভার। মজা করে তিনি বলেন, “বার্সেলোনা বা চেলসির বিপক্ষে লড়াই তো মনে হয় আগের চেয়েও সহজ হবে, তাই না?” তবে রসিকতার আড়ালে তার মূল বার্তাটি ছিল পরিষ্কার—যেকোনো পরিস্থিতির জন্য তার দল এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।