BN

এশিয়ায় সফল হলে খুলবে বিশ্ব ফুটবলের দুয়ার

এশিয়ায় সফল হলে খুলবে বিশ্ব ফুটবলের দুয়ার

সিডনির জুবলি স্টেডিয়ামের সকালটা ছিল বেশ চমৎকার, মিষ্টি রোদে ঘাসের ওপর তখনো

সিডনির জুবলি স্টেডিয়ামের সকালটা ছিল বেশ চমৎকার, মিষ্টি রোদে ঘাসের ওপর তখনো শিশির। এমন শান্ত পরিবেশেও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অনুশীলনে ছিল বারুদের তেজ। সবার চোখেমুখে ভালো কিছু করার তীব্র জেদ। সামনে প্রতিপক্ষ যে ছোটখাটো কেউ নয়—এশিয়ান ফুটবলের ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন!

আগামী মঙ্গলবার সিডনির ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই আসরটি বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য শুধু একটা টুর্নামেন্ট নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের দরজা খোলার চাবিকাঠি। দলের গোলকিপার কোচ মাসুদ আহমেদ অন্তত তেমনটাই মনে করছেন।

অনুশীলন শেষে মাসুদ আহমেদ বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বললেন:

“ভয় নয়, বরং মেয়েরা এখন অনেক বেশি উজ্জ্বীবিত। এই বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার এটাই সেরা সময়। এখানে ভালো কিছু করতে পারলে বিশ্বের বড় বড় লিগ বা ক্লাবে খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। মেয়েরা বিষয়টিকে চাপ হিসেবে না নিয়ে বরং একটা বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে।”

শক্তি বা অভিজ্ঞতায় চীন কিংবা উত্তর কোরিয়ার চেয়ে বাংলাদেশ ঢের পিছিয়ে। ফুটবলীয় সমীকরণে বাংলাদেশের একটা ‘ড্র’ করাও হবে বিশাল অঘটন। তবে চীনের শক্তিমত্তা নিয়ে মোটেও বিচলিত নন মাসুদ। বড় দলের বিপক্ষে স্নায়ুচাপ সামলানো প্রসঙ্গে তিনি জানান, টেকনিক্যাল ভুলগুলো কমিয়ে আনতে পারলে ভয়ের কিছু নেই। সারা বছর যা শিখেছে, মাঠে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারলে গোল খাওয়ার শঙ্কা কমে আসবে।

চীনের আক্রমণভাগ সামলানো যে কতটা কঠিন হবে, তা নিয়ে আগেভাগেই হোমওয়ার্ক সেরে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। চীন, উত্তর কোরিয়া বা উজবেকিস্তানের ম্যাচগুলো নিয়মিত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। প্রতিপক্ষ কোন অ্যাঙ্গেল থেকে শট নেয় বা তাদের শক্তির জায়গাগুলো কোথায়—এসব নিয়েই চলছে বিশেষ কাজ। বিশেষ করে গোলকিপার রুপনা চাকমাদের জন্য দূরপাল্লার শট ঠেকানোর বিশেষ ড্রিল করানো হচ্ছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় (সাফ) বাংলাদেশ এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু এশিয়ান কাপের এই বিশাল মঞ্চে ৯ বারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে কি কোনো মিরাকল ঘটানো সম্ভব? গোলকিপার কোচের সোজাসাপ্টা উত্তর:

“এই মেয়েদের নিয়ে আগেভাগে কিছু বলা কঠিন। ওরা কখন কার সাথে কী করে বসবে, আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না! ওদের মনে কোনো ভয় নেই।”

মাসুদ আহমেদ মনে করেন, এই বড় দলগুলোর মুখোমুখি হওয়াটাই একটা বড় প্রাপ্তি। হার-জিত যাই হোক, নিজেদের দুর্বলতাগুলো চেনা এবং বিশ্বমানের ফুটবলের অভিজ্ঞতা নেওয়াটাই হবে আগামীর পথচলা। সিডনির মাঠে মঙ্গলবার সাবিনা-রুপনারা কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারেন, এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজর সেটুকুই।

সর্বশেষ সংবাদ

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ইংল্যান্ড একটা সুযোগ করে দিয়েছিল পাকিস্তানের সামনে।

রেকর্ড আর অর্জনে মোড়ানো এক ক্যারিয়ারের শেষটা হলো একদম

সিডনির জুবলি স্টেডিয়ামের সকালটা ছিল বেশ চমৎকার, মিষ্টি রোদে

ক্রিকেট

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ইংল্যান্ড একটা সুযোগ করে দিয়েছিল পাকিস্তানের সামনে। কিন্তু

ক্রিকেট

রেকর্ড আর অর্জনে মোড়ানো এক ক্যারিয়ারের শেষটা হলো একদম রাজার

ফুটবল

মাঠজুড়ে কেবল একজনেরই দাপট—লামিন ইয়ামাল। এই তরুণ তুর্কির ক্যারিয়ারের প্রথম

ফুটবল

মাঠের পারফরম্যান্সে খুব একটা ধার ছিল না, প্রথমার্ধের অনেকটা সময়