আক্রমণভাগ কিংবা মাঝমাঠের কেউ যখন ফিনিশিংয়ে সুবিধা করতে পারছিলেন না তখন দলের ত্রাতা হয়ে এগিয়ে এলেন দুই ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা ও ইউরিয়েন টিম্বার। এই দুই রক্ষনভাগের প্রহরীর গোলে চেলসিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা দৌড়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল আর্সেনাল। এই জয়ের ফলে ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে ৫ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে গেল মিকেল আর্তেতার দল।
লড়াই ও ভাগ্যের খেলা
রোববার এমিরেটস স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখায় আর্সেনাল। ম্যাচের ২১তম মিনিটে কর্নার থেকে গাব্রিয়েল মাগালিয়াইসের হেড পাস গোলমুখে পান সালিবা। তার হেড চেলসি ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ালে লিড পায় গানাররা। এটি চলতি লিগে কর্নার থেকে আর্সেনালের নবম গোল। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পিয়েরো ইনকাপিয়ের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে চেলসি। গোলরক্ষক দাভিদ রায়া দুর্দান্ত এক সেভ করলেও ইনকাপিয়ের ভুল ক্লিয়ারেন্সে বল জালে জড়িয়ে যায়।
টিম্বারের গোল ও ১০ জনের চেলসি
দ্বিতীয়োর্ধের ৬৬তম মিনিটে আবারও সেট পিস থেকে গোল পায় আর্সেনাল। ডেক্লান রাইসের মাপা কর্নারে দারুণ এক হেডে বল জালে পাঠান ডাচ ডিফেন্ডার ইউরিয়েন টিম্বার। ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করা চেলসির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে পেদ্রো নেতোর লাল কার্ড। মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এই পর্তুগিজ উইঙ্গার। শেষ দিকে ১০ জনের চেলসি মরিয়া হয়ে আক্রমণ করলেও দাভিদ রায়ার অসাধারণ নৈপুণ্যে সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। বিশেষ করে যোগ করা সময়ে গার্নাচোর নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে আর্সেনালের জয় নিশ্চিত করেন এই স্প্যানিশ গোলরক্ষক।
পয়েন্ট টেবিলের চিত্র
এই জয়ের পর ২৯ ম্যাচে ১৯ জয় ও সাত ড্রয়ে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে আর্সেনাল। এক ম্যাচ কম খেলে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে ২৮ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে নেমে গেছে চেলসি। তিন ও চার নম্বরে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও অ্যাস্টন ভিলার পয়েন্ট সমান ৫১ করে। আর ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে লিভারপুল।