BN

চেলসির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে উচ্ছ্বসিত জেমস

চেলসির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে উচ্ছ্বসিত জেমস

ছোটবেলায় যে ক্লাবের জার্সি গায়ে জড়িয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল, সেই চেলসিতেই নিজের

ছোটবেলায় যে ক্লাবের জার্সি গায়ে জড়িয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল, সেই চেলসিতেই নিজের ক্যারিয়ারের সেরা সময়গুলো কাটিয়ে দেওয়ার পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করে ফেললেন রিস জেমস। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের এই প্রিয় আঙিনায় আরও ছয় বছর থাকার নতুন চুক্তিতে সই করেছেন ইংলিশ এই রাইট-ব্যাক।

২০৩২ পর্যন্ত ব্লুজদের ডেরায়

শুক্রবার চেলসি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অধিনায়ক জেমসের সঙ্গে এই দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির খবরটি নিশ্চিত করেছে। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩২ সালের জুন পর্যন্ত লন্ডনের এই ক্লাবটির হয়ে মাঠ মাতাবেন তিনি। মাত্র ছয় বছর বয়সে চেলসির অ্যাকাডেমিতে যোগ দেওয়া জেমস যুব দল পেরিয়ে মূল দলে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন অতি দ্রুতই। রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরী হয়ে ওঠার পুরস্কার হিসেবে ২০২৩ সালে তার কাঁধে তুলে দেওয়া হয় নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড।

সিদ্ধান্ত নিতে মুহূর্তকালও ভাবেননি

চুক্তি সইয়ের পর নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে জেমস বলেন, “সত্যি বলতে, এই সিদ্ধান্তের জন্য আমাকে খুব বেশি ভাবতে হয়নি। আমি এই ক্লাবেই বড় হয়েছি, এই ক্লাবকে মনে-প্রাণে ভালোবাসি। এখানে আমি ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছি এবং আমার বিশ্বাস, সামনে আমাদের আরও অনেক বড় সাফল্য অপেক্ষা করছে।”

সাফল্যে মোড়ানো ক্যারিয়ার

রিস জেমসের আগের চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০২৮ সাল পর্যন্ত। তবে ক্লাবের প্রতি তার একাগ্রতা দেখে আরও আগেভাগেই তাকে লম্বা সময়ের জন্য বেঁধে ফেলল ব্লুজরা। ২৬ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার এখন পর্যন্ত চেলসির হয়ে ২২৫টি ম্যাচ খেলেছেন। তার অর্জনের ঝুলিতে আছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ সব শিরোপা।

সর্বশেষ সংবাদ

ছোটবেলায় যে ক্লাবের জার্সি গায়ে জড়িয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল,

বিশ্বকাপ মিশন শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরেই বড় এক

মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে তুমুল শোরগোল ফেলে

ক্রিকেট

বিশ্বকাপ মিশন শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরেই বড় এক সিদ্ধান্ত

ক্রিকেট

মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে তুমুল শোরগোল ফেলে দিয়েছিল

ক্রিকেট

ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ, কিন্তু মাঠে নামলে কে বলবে! ২০

ফুটবল

ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর উদ্ভূত