মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ড। আবহাওয়া পূর্বাভাস এখন পর্যন্ত ইতিবাচক থাকলেও প্রকৃতির খেয়ালে যদি ম্যাচটি মাঠে না গড়ায়, তবে বড় বিপদে পড়তে পারে টিম ইন্ডিয়া।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য রিজার্ভ ডে বা অতিরিক্ত দিন রাখা হয়েছে। তবে রিজার্ভ ডে-তেও যদি খেলা সম্ভব না হয়, তবে কপাল খুলবে ইংল্যান্ডের।
- খেলা শুরুর চেষ্টা: ম্যাচটি নির্ধারিত দিনে শেষ করার জন্য অতিরিক্ত ৯০ মিনিট সময় রাখা হয়েছে। অন্তত ১০ ওভার করে খেলা করা সম্ভব হলে তবেই ম্যাচের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। (সাধারণত টি-টোয়েন্টিতে ৫ ওভার হলেও নক-আউট পর্বে ১০ ওভার বাধ্যতামূলক)।
- রিজার্ভ ডে-র নিয়ম: নির্ধারিত দিনে খেলা না হলে ম্যাচটি রিজার্ভ ডে-তে গড়াবে এবং আগের দিন যেখানে খেলা থেমেছিল, সেখান থেকেই শুরু হবে। এই দিনেও অতিরিক্ত ১২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
কেন সুবিধাজনক অবস্থানে ইংল্যান্ড?
সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যদি ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়, তবে জয়ী নির্ধারণ করা হবে সুপার এইট পর্বের অবস্থানের ভিত্তিতে।
- ইংল্যান্ডের দাপট: সুপার এইটে নিজেদের গ্রুপে তিন ম্যাচের সবকটিতে জিতে টেবিলের শীর্ষে ছিল ইংল্যান্ড।
- ভারতের সমীকরণ: অন্যদিকে ভারত অন্য গ্রুপ থেকে দুটি জয় ও একটি হার নিয়ে দ্বিতীয় হয়ে সেমিতে পা রেখেছে।
- ফলাফল: ম্যাচ পুরোপুরি পণ্ড হয়ে গেলে গ্রুপ পর্বে এগিয়ে থাকার সুবাদে সরাসরি ফাইনালের টিকিট পাবে জস বাটলারের দল।