৫ রানের পেনাল্টি আর শেষ ওভারের নাটকীয়তা—সব মিলিয়ে করাচি কিংস বনাম লাহোর কালান্দার্স ম্যাচটা ছিল পুরোদস্তুর থ্রিলার। শেষ পর্যন্ত ৩ বল বাকি থাকতেই লাহোরকে ৪ উইকেটে হারিয়ে মাঠ ছেড়েছে করাচি।
শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা
জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে করাচির দরকার ছিল ২৩ রান। ১৯তম ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান দারুণ বোলিং করে মাত্র ৯ রান দিলেও আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত পুরো হিসেব বদলে দেয়। বলের কন্ডিশন পরিবর্তনের দায়ে লাহোরকে ৫ রান পেনাল্টি করা হয়। ফলে শেষ ওভারে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৯ রান। হারিস রউফের সেই ওভারের প্রথম ৩ বলেই খেলা শেষ করে দেন আব্বাস আফ্রিদি।
মুস্তাফিজের দারুণ স্পেল
বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এদিন বল হাতে ছিলেন বেশ কিপটে। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২০ রান দিয়ে তুলে নেন ১টি উইকেট। বিশেষ করে নিজের প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে উইকেট শিকার করে লাহোরকে চেপে ধরেছিলেন তিনি।
লাহোরের ব্যাটিং বিপর্যয়
টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে লাহোর কালান্দার্স বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয়। নির্ধারিত ওভারে তারা মাত্র ১২৮ রান সংগ্রহ করে।
- পারভেজ হোসেন ইমন: টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ হলেন এই বাংলাদেশি ব্যাটার। ১২ বল খেলে মাত্র ১২ রান করেন তিনি।
- আব্দুল্লাহ শাফিক: দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান (২৪ বল) করেন।
- হাসিবউল্লাহ খান: ৩০ বলে ২৮ রানের এক মন্থর ইনিংস খেলেন।
করাচির পক্ষে অ্যাডাম জাম্পা, মির হামজা এবং মইন আলি প্রত্যেকেই ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
শাহিন আফ্রিদির লড়াই
অল্প পুঁজি নিয়েও লাহোরকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে করাচিকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হয়নি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
- লাহোর কালান্দার্স: ১২৮/১০
- করাচি কিংস: ১২৯/৬ (১৯.৩ ওভার)
- ফল: করাচি কিংস ৪ উইকেটে জয়ী।