তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রথম বোর্ড সভা সম্পন্ন করেছে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো—এখন থেকে আইসিসি (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) ও এসিসি (এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল)-এর সব সভা ও কার্যক্রমে বিসিবির পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করবেন বোর্ড প্রধান তামিম ইকবাল নিজেই।
আইসিসির পরামর্শ অনুযায়ী, এই প্রতিনিধি দলে পদাধিকারবলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরীকেও রাখা হয়েছে। সাধারণত আইসিসি ও এসিসির সভায় বোর্ড সভাপতি অংশ নিলেও, বর্তমান কমিটি যেহেতু নির্বাচিত নয় বরং একটি ‘অ্যাডহক’ কমিটি, তাই স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আইসিসি প্রধান নির্বাহীকেও প্রতিনিধি দলে রাখার গাইডলাইন দিয়েছে।
বোর্ড সভা শেষে কমিটির মুখপাত্র তানজিল চৌধুরী সভার সিদ্ধান্তগুলো সংবাদমাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, “আজকের সভায় মূলত পরিচিতি পর্ব ও জরুরি কিছু প্রশাসনিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকের লেনদেন সচল রাখতে সিগনেটরি বা স্বাক্ষরকারীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ থেকে সিইও ও হেড অব ফাইন্যান্স থাকবেন এবং বোর্ড বা অ্যাডহক কমিটির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ও ফাইন্যান্স কমিটির ইন-চার্জ স্বাক্ষরকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।”
আইসিসি ও এসিসিতে প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে তানজিল আরও যোগ করেন, “ঐতিহ্যগতভাবে বিসিবি সভাপতিই এসব সভায় অংশ নেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা তামিম ইকবালকে মনোনীত করেছি। যেহেতু আমরা নির্বাচিত বোর্ড নই, তাই আইসিসির পরামর্শক্রমে সিইওকেও এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
তানজিল চৌধুরীর এই বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, নতুন এই অ্যাডহক কমিটি নিয়ে আইসিসির কোনো আপত্তি নেই, বরং তারা নিয়মিত গাইডলাইন দিয়ে কমিটিকে সহযোগিতা করছে।
ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজ দরজায় কড়া নাড়ছে। আগামী সোমবারই কিউইরা বাংলাদেশে পা রাখবে। সিরিজের প্রস্তুতি নিয়ে তানজিল বলেন, “নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রস্তুতি কতটুকু হলো সে বিষয়ে আমরা আপডেট নিয়েছি। বিস্তারিত আলোচনা হবে পরবর্তী সভায়।” এছাড়া বিসিবির লিগ্যাল কাউন্সিল বা আইনি পরামর্শক নিয়োগের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। অ্যাডহক কমিটির পরবর্তী সভা বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।