পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বাংলাদেশের দুই পেসারের জন্য দিনটি মোটেও সুখকর ছিল না। অভিষেকে রাঙাতে পারলেন না তরুণ গতিদানব নাহিদ রানা, আর নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও চেনা ছন্দে দেখা যায়নি বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামকে। তবে দুই পেসারের খরুচে বোলিংয়ের দিনেও স্পিনারদের নৈপুণ্যে হায়দরাবাদ কিংস মেনকে দেড়শর আগেই আটকে দিয়েছে তাদের দল পেশাওয়ার জালমি।
বুধবার করাচিতে হায়দরাবাদের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পেশাওয়ার অধিনায়ক বাবর আজম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে পান শরিফুল ইসলাম। প্রথম পাঁচ বলে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও শেষ বলে চার হজম করে ৯ রান দিয়ে ওভার শেষ করেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ১৬তম ওভারে ফিরে তিন বলের ব্যবধানে একটি চার ও একটি ছক্কা খেয়ে ১২ রান খরচ করেন শরিফুল। সব মিলিয়ে ২ ওভারে ২১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তিনি।
অন্যদিকে, পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে পিএসএল ক্যারিয়ারের প্রথম ওভার করতে আসেন নাহিদ রানা। প্রথম বলটি লেগ বাই থেকে চার হওয়ার পর শেষ দুই বলে কুসাল পেরেরার চার ও ছক্কায় সেই ওভার থেকে আসে ১৭ রান। নিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওভারে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনলেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি নাহিদ। ৩ ওভারে ৩০ রান দিয়ে মাঠ ছাড়েন এই গতি তারকা।
নাহিদ ও শরিফুল নিষ্প্রভ থাকলেও পেশাওয়ারের ত্রাতা হয়ে আসেন ইফতিখার আহমেদ ও সুফিয়ান মুকিম। ইফতিখারের অফ স্পিনে দিশেহারা হায়দরাবাদ ব্যাটাররা ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান তুলতেই হারান ৪ উইকেট। রিস্ট স্পিনার মুকিমও ৩২ রান দিয়ে শিকার করেন ৪টি উইকেট। স্পিনারদের এই দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৫ রানেই গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ কিংস মেন।
১৪৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে পেশাওয়ার জালমিকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ম্যাচের শেষ বলে ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাবর আজমের দল।