BN

কিউইদের চোখে উইকেট ‘দারুণ’, টাইগারদের কাছে ‘চ্যালেঞ্জিং’

কিউইদের চোখে উইকেট ‘দারুণ’, টাইগারদের কাছে ‘চ্যালেঞ্জিং’

ম্যাচ শেষে উইকেট নিয়ে আলোচনা হবে, সেটা অনুমিতই ছিল। কখনও মন্থর গতি,

ম্যাচ শেষে উইকেট নিয়ে আলোচনা হবে, সেটা অনুমিতই ছিল। কখনও মন্থর গতি, কখনও অসমান বাউন্স—মিরপুরের উইকেট নিয়ে বিভ্রান্তি যেন কাটছিলই না। তবে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধিদের কথা থেকে উইকেটের দুটি ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠল। সাইফ হাসানের কথায় যেখানে উইকেটের কঠিন রূপের আভাস পাওয়া গেল, ডিন ফক্সক্রফট সেখানে একে দেখছেন মানিয়ে নেওয়ার পরীক্ষা হিসেবে।

মিরপুরের এই উইকেটটি গত বছরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের মতো খুব বেশি মন্থর বা টার্নিং ছিল না ঠিকই, তবে এখানে শট খেলা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। গত পাকিস্তান সিরিজের সেই প্রাণবন্ত উইকেটের দেখা মেলেনি এখানে। বল কখনও থমকে এসেছে, আবার কখনও বাউন্স হয়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে।

বাংলাদেশের পরাজয়ের দায় পুরোপুরি উইকেটের ওপর চাপানোর সুযোগ নেই। কারণ, এই উইকেটে কিউইরা ২৪৭ রান তুলেছে এবং দারুণ বোলিং করে জয়ও ছিনিয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য সমীকরণটা হাতের মুঠোয় ছিল—শেষ ১০ ওভারে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে প্রয়োজন ছিল ৬৭ রান। কিন্তু স্কিল আর সঠিক পরিকল্পনার অভাবে খেই হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রতিনিধি হয়ে আসা সাইফ হাসান বলেন, “উইকেট প্রথম থেকেই একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। থিতু ব্যাটসম্যানদের জন্য খেলা সহজ হলেও নতুনদের জন্য কাজটা ছিল কঠিন। আমি যদি আরেকটু সময় টিকে থাকতে পারতাম, তবে জয়টা সহজ হতো।”

পাকিস্তান সিরিজের উইকেটের সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে সাইফের কথায় কিছুটা মিশ্র সুর পাওয়া গেল। তিনি বলেন, “পাকিস্তান সিরিজের উইকেট ছিল একদম ‘ট্রু’ উইকেট। এখানেও উইকেট যে খুব খারাপ ছিল তা নয়, তবে মানিয়ে নিতে আমাদের একটু সমস্যা হয়েছে। কিছুটা অসমান বাউন্স থাকলেও এটাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানোর কিছু নেই। জাতীয় দলে খেলার মতো স্কিল আমাদের আছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা আজ সেটা কাজে লাগাতে পারিনি।”

অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফট উইকেটের আচরণ নিয়ে বেশ সন্তষ্ট। এই ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে একমাত্র তিনিই ১০০-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন। ৫৮ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতেও সফল ছিলেন তিনি।

ফক্সক্রফট বলেন, “আমার মনে হয় উইকেটের আচরণ দারুণ ছিল। উইকেট নিয়ে আগে অনেক কথা শুনলেও আমরা মানিয়ে নিতে পেরেছি। বিশেষ করে অনুশীলনের উইকেটগুলো একদম মূল ম্যাচের উইকেটের মতোই ছিল, তাই আমাদের কাজটা সহজ হয়েছে। দ্রুত কন্ডিশন বুঝে নেওয়াই ছিল আমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি, উইকেট নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।”

সর্বশেষ সংবাদ

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটিতে মোইসেস কাইসেদোর অধ্যায় আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হতে না হতেই ফের ব্যস্ত

ম্যাচ শেষে উইকেট নিয়ে আলোচনা হবে, সেটা অনুমিতই ছিল।

ফুটবল

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটিতে মোইসেস কাইসেদোর অধ্যায় আরও দীর্ঘ হচ্ছে। ২০৩৩

ক্রিকেট

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হতে না হতেই ফের ব্যস্ত হয়ে

ক্রিকেট

যে মাঠে অভিষেক ম্যাচটি ছিল এক দুঃস্বপ্নের স্মৃতি, দীর্ঘ আড়াই

ক্রিকেট

নিউজিল্যান্ডের এই দলটিকে সিরিজ শুরুর আগে অনেকেই ‘বি’ বা ‘সি’