নিউজিল্যান্ডের বর্তমান দলে নবীন আর অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের জয়জয়কার। সেই তুলনায় বাংলাদেশ দল অনেকটাই অভিজ্ঞ, একদম নতুন মুখ কেবল দুজন। তবে প্রতিপক্ষ অনভিজ্ঞ হলেও কিউইরা কিন্তু প্রস্তুতির কোনো ফাঁক রাখছে না। অধিনায়ক টম ল্যাথাম সাফ জানিয়ে দিলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে বাংলাদেশের এই নবীন ক্রিকেটারদের সম্পর্কে খুঁটিনাটি ধারণা নিয়েই মাঠে নামবেন তাঁরা।
এই সিরিজে বাংলাদেশ দলে একদমই নতুন মুখ পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গী নবীনদের তালিকায় আছেন রিপন মন্ডলও। রিপন এর আগে জাতীয় দলে সুযোগ পেলেও এখনও অভিষেক হয়নি। তবে ২০২৩ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা তাঁর আছে, যা আইসিসি থেকে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছিল। যদিও সিরিজের প্রথম ম্যাচে এই দুজনের একাদশে থাকা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে।
বাংলাদেশ দলের এই আনকোরা মুখগুলো নিয়ে ল্যাথাম বলেন, “আমরা বেশ কয়েকজনের ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। আমরা জানি এমন কিছু খেলোয়াড় থাকতে পারে যারা এই ফরম্যাটে এখনও খেলেনি। যখন কোনো ক্রিকেটার সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না, তখন আমাদের মূল কাজ হয় যত দ্রুত সম্ভব তাদের স্টাইল বুঝে মানিয়ে নেওয়া। আমরা সংগ্রহ করা তথ্যগুলো দ্রুত দলের সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি।”
ল্যাথাম আরও যোগ করেন, “দুই দলের জন্যই এটি রোমাঞ্চকর যে বেশ কিছু নতুন প্রতিভার দেখা মিলবে এই সিরিজে। নিউজিল্যান্ড দলেও এমন কয়েকজন আছে যারা খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি, আবার বাংলাদেশেও অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ক্রিকেটার আছে। সব মিলিয়ে দারুণ এক লড়াই দেখার অপেক্ষায় আছি।”
আইপিএল ও পিএসএল চলায় শীর্ষ সারির ১৬-১৭ জন ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশে এসেছে নিউজিল্যান্ড। ল্যাথাম নিজেও ওয়ানডেতে সুযোগ পান বড় তারকারা না থাকলেই। তবে দলের তরুণদের ওপর অগাধ আস্থা আছে অধিনায়কের। তাঁর মতে, “আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা কম হলেও আমাদের ছেলেদের ঘরোয়া ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা বিশাল। এছাড়া কয়েকজন তো বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলেছে। সবাই এই ফরম্যাটটা খুব পছন্দ করে। এটি গতির খেলা, বিনোদনের খেলা। ছেলেরা সবাই মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছে।”