BN

শামীম-ইমনকে প্রশংসায় ভাসালেন হৃদয়

শামীম-ইমনকে প্রশংসায় ভাসালেন হৃদয়

ম্যাচ শেষ করে চওড়া হাসি নিয়ে যখন মাঠ ছাড়ছিলেন তাওহিদ হৃদয় ও

ম্যাচ শেষ করে চওড়া হাসি নিয়ে যখন মাঠ ছাড়ছিলেন তাওহিদ হৃদয় ও শামীম হোসেন, তখন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস এগিয়ে এসে দুজনকে জড়িয়ে ধরলেন। পিঠ চাপড়ে দিয়ে জানালেন অভিনন্দন। তবে লিটন ভোলেননি পারভেজ হোসেন ইমনের কথাও। তাঁর কাছে গিয়েও আলাদাভাবে কৃতিত্ব দিলেন অধিনায়ক। এই ম্যাচে ফিফটি করেছেন কেবল হৃদয়, বাকি দুজন ফিফটির ধারেকাছেও যেতে পারেননি। কিন্তু দিনশেষে জয়ের নায়ক তো তাঁরা তিনজনই!

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৮৩ রান তাড়া করে জেতার পথে হৃদয়ের ২৭ বলে ৫১ রানের ইনিংসটি ছিল ভিত। তবে ৯ ওভারে ৬৬ রান থেকে পরের ৯ ওভারে ১১৭ রান তুলে ম্যাচ জেতার পেছনে পারভেজ ইমন ও শামীম হোসেনের ‘ক্যামিও’ বা ছোট কিন্তু বিধ্বংসী ইনিংস দুটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। ১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হওয়া ইমন হৃদয়ের সঙ্গে গড়েন ২৮ বলে ৫৭ রানের জুটি। আর শেষে এসে শামীম ১৩ বলে ৩১ রানের অপরাজিত টর্নেডো ইনিংস খেলে খেলা শেষ করে দেন দুই ওভার বাকি থাকতেই।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হৃদয় আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক রূঢ় বাস্তবতা তুলে ধরলেন। তাঁর মতে, গতানুগতিক মাইলফলকের চেয়ে ম্যাচে কার প্রভাব কতটুকু, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় কথা।

হৃদয় বলেন, “চার বা পাঁচ নম্বর পজিশনটা এমন যে, এখান থেকে রোজ রোজ ফিফটি হবে না। যেদিন এই পজিশনের কেউ ফিফটি করবে, বুঝতে হবে দল খুব বিপদে ছিল। এই জায়গাগুলোতে আসলে ইমপ্যাক্টফুল বা কার্যকরী ইনিংস দরকার, শামীম আজ যেটা করেছে। আমার কাছে মনে হয়, শামীম আর ইমন আজ যা করেছে, তা অনেক সময় একটা ফিফটির চেয়েও বড়।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের বুঝতে হবে ইমপ্যাক্টফুল ইনিংসের গুরুত্ব কতটুকু। আমরা অনেক সময় ব্যক্তিগত ফিফটি বা সেঞ্চুরির চিন্তা করি, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে ১০ রানের একটা ইনিংসও অনেক সময় ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। ইমন আর শামীম আজ ম্যাচটা আমার জন্য অনেক সহজ করে দিয়েছে।”

হৃদয়ের মতে, পারভেজ ইমন ক্রিজে এসেই পালটা আক্রমণ শুরু করায় নিউজিল্যান্ডের বোলাররা চাপে পড়ে যান। এতে হৃদয়ের ওপর থেকে রানের পাহাড় টপকানোর মানসিক চাপ অনেকটা কমে যায়। আর শামীমের ব্যাটিং নিয়ে তো হৃদয় রীতিমতো মুগ্ধ। বিশেষ করে ন্যাথান স্মিথের বলে শামীমের সেই ‘নো লুক’ ছক্কাটি ছিল দেখার মতো।

শামীমকে নিয়ে হৃদয় বলেন, “আমি ওর ব্যাটিং খুব উপভোগ করি। ও এমন কিছু শট খেলে যা আমাদের খুব কম ব্যাটারই পারে। ছয় নম্বর পজিশনে আসলে এমন কাউকেই দরকার যে যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ও যে ছক্কাটা মেরেছে, খেয়াল করলে দেখবেন আমাদের দেশে এমন শট খুব একটা দেখা যায় না। দোয়া করি ও যেন এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে।”

সর্বশেষ সংবাদ

প্রায় এক দশক ধরে ভারতীয় দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব

ভারত দলে মোহাম্মদ শামির ফেরার দরজা কোনোভাবেই খুলছে না।

“ইনি কি আসলেই লিটন, নাকি অন্য কেউ?”—দৃশ্যটা দেখে এমন

ক্রিকেট

প্রায় এক দশক ধরে ভারতীয় দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ক্রিকেট

ভারত দলে মোহাম্মদ শামির ফেরার দরজা কোনোভাবেই খুলছে না। আফগানিস্তানের

ক্রিকেট

“ইনি কি আসলেই লিটন, নাকি অন্য কেউ?”—দৃশ্যটা দেখে এমন ধন্দে

ক্রিকেট

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন মাঠে ব্যাট-বলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো চলছিলই,