BN

হারলেও মেয়েদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কোচ পিটার বাটলার

হারলেও মেয়েদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কোচ পিটার বাটলার

শক্তিশালী চীনকে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখা, এরপর দুর্ভাগ্যজনকভাবে গোল হজম—তবুও ভেঙে

শক্তিশালী চীনকে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখা, এরপর দুর্ভাগ্যজনকভাবে গোল হজম—তবুও ভেঙে পড়েনি বাংলাদেশের মেয়েরা। উইমেন’স এশিয়ান কাপে রেকর্ড ৯ বারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারলেও শিষ্যদের পারফরম্যান্সে প্রাপ্তিই বেশি দেখছেন কোচ পিটার জেমস বাটলার। ম্যাচ শেষে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, এই লড়াই মেয়েদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে সামনের পথচলায়।

রক্ষণাত্মক নয়, চোখে চোখ রেখে লড়াই

ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বাটলার বলেন, শক্তিশালী চীনের সামনে বলির পাঁঠা হতে মাঠে নামেনি বাংলাদেশ। তার ভাষায়:

“আমরা এখানে স্রেফ রক্ষণাত্মক হয়ে বসে থাকতে আসিনি। আমি মেয়েদের বলেছিলাম নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে। তারা দুর্দান্ত খেলেছে, দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে এবং জার্সির সম্মান রেখেছে। এই পারফরম্যান্স প্রমাণ করে আমরা কতটা উন্নতি করেছি।”

মিলি আক্তার ও রূপনা চাকমা প্রসঙ্গ

এদিন অভিজ্ঞ রূপনা চাকমার বদলে তরুণ মিলি আক্তারকে খেলিয়ে চমক দেন বাটলার। মিলির কিছু ছোটখাটো ভুল থাকলেও তার ওপর আস্থা হারাননি কোচ। রূপনার উচ্চতা কম হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে বাটলার স্পষ্ট করে বলেন:

“দলে কারো জায়গা জন্মগত অধিকার নয়। মিলি আজ অসাধারণ ছিল। সে ভুল করেছে এবং করবেই, কিন্তু নতুনদের সুযোগ দিতে আমি ভয় পাই না। আমি দলে সবসময় সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে চাই।”

ভাগ্য নয়, নিজেদের শক্তিতে বিশ্বাস

দ্বিতীয় গোলটি ডিফেন্ডার কোহাতি কিস্কুর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ানোকে ‘দুর্ভাগ্য’ মানতে নারাজ বাটলার। তিনি বিশ্বাস করেন, ভাগ্য নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়। প্রথমার্ধে ঋতুপর্ণার সেই নিশ্চিত গোলটি চীন গোলকিপার ঠেকিয়ে না দিলে ম্যাচের চিত্রপট অন্যরকম হতে পারত বলেও মনে করেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসরে টানা দুই ম্যাচ একাদশের বাইরে থাকতে

১৮৭৭ সালের মার্চ মাসে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) শুরু

ফুটবল

ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর উদ্ভূত

ক্রিকেট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসরে টানা দুই ম্যাচ একাদশের বাইরে থাকতে হওয়ায়

ক্রিকেট

১৮৭৭ সালের মার্চ মাসে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) শুরু হয়েছিল

ক্রিকেট

টানা দুই বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে