লিগ শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার ঠিক পরের ম্যাচেই মাঠ নেমে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথমার্ধেই হজম করতে হয় তিনটি গোল! তবে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাধারণ এক জয় তুলে নিয়েছে টানা দ্বিতীয়বারের বুন্ডেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা। বদলি হিসেবে নেমে আরও একবার গোল করে দলের ত্রাতা হলেন ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন।
শনিবার মাইন্সের মাঠে খেলতে নেমে আসরে নিজেদের দ্বিতীয় হারের শঙ্কায় পড়েছিল বায়ার্ন। তবে বিরতির পর দারুণভাবে ছন্দে ফিরে ৪-৩ গোলের নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভেসোঁ কম্পানির শিষ্যরা।
গত রাউন্ডেই চার ম্যাচ হাতে রেখে শিরোপা ধরে রাখা নিশ্চিত করেছিল বায়ার্ন। এরপর গত বুধবার জার্মান কাপের সেমি-ফাইনালে বায়ার লেভারকুজেনকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে ছিল দলটি। তবে মাইন্সের বিপক্ষে গত ম্যাচের শুরুর একাদশে আটটি পরিবর্তন আনেন কোচ। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দলের পারফরম্যান্সে; বিরতির আগে বায়ার্নের একটি শটও লক্ষ্যে ছিল না।
ম্যাচের ১৫তম মিনিটে ডমিনিকের গোলে মাইন্স এগিয়ে যাওয়ার পর ২৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেবেল। আর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে শেরাল্ডো বেকের গোল করলে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে চরম কোণঠাসা হয়ে বিরতিতে যায় বায়ার্ন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণভাগের ধার বাড়াতে হ্যারি কেইন ও মাইকেল ওলিসেকে মাঠে নামান বায়ার্ন কোচ। এই পরিবর্তন দ্রুতই ফল দেয়। ৫৩তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসন ব্যবধান কমানোর পর ৭৩তম মিনিটে গোল করেন ওলিসে। এরপর ৮১তম মিনিটে জামাল মুসিয়ালার জাদুকরী নৈপুণ্যে সমতায় ফেরে বায়ার্ন।
ম্যাচ যখন ৩-৩ সমতায়, তার ঠিক দুই মিনিট পরই বায়ার্নের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন হ্যারি কেইন। আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার এটি ৩৩তম গোল। বুন্ডেসলিগার এক মৌসুমে রবের্ত লেভানদোভস্কির ৪১ গোলের রেকর্ডের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
এই জয়ের পর ৩১ ম্যাচে ২৬ জয় ও চার ড্রয়ে বায়ার্নের পয়েন্ট দাঁড়ালো ৮২। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দশম স্থানে আছে মাইন্স।